Bhalukanews.com

পালে লাগবে হাওয়া

তারিক সালাউদ্দিন মাহমুদ

দুই বাংলায় আবৃত্তি নিয়ে নানা পরীা নিরীা হচ্ছে। তাতে কোন ফল দেখা না গেলেও রকমারি আবৃত্তি শুনতে কানে ভালই লাগে। কিন্তু কানে নিছক ভাল লাগা আর মনকে প্রশান্তি দেয়া চৈতন্যকে জাগিয়ে মংগলে আসক্ত ও অমংগলে বীতস্পৃহ করা এক কথা নয়।
৫০/৬০/৭০ এর দশকে আমি নিয়মিত আবৃত্তি চর্চা করতাম। তাতে লোকের করতালি আর প্রশংসার অভাব হত না। কিন্তু হঠাৎ একদিন মনে প্রশ্ন দেখা দিল আবৃত্তি করে লোকদের ঠকাচ্ছি না তো? আমি কি পেলাম লোকদেরই বা আবৃত্তি করে কি দিচ্ছি? কবি বানী কি মানুষের মনে সঞ্চারিত করে দিতে পারছি ? এমন ভাবনা আমাকে পেয়ে বসল। পরে একদিন নিজ মনেই হো হো করে হেসে উঠলাম। হেসে উঠলাম এই ভেবে যে, যাকে আমরা আবৃত্তি শিল্প বলি তা আদৌ শিল্প নয়। নিছক কলাকৈবল্যবাদের অভিব্যাক্তি। আর এই শুধু মাত্র শিল্পের জন্যেই শিল্পকলা তা যথার্থ শিল্প নয়। তা হলে যথার্থ শিল্প বা আবৃত্তিই বা কি? এইসব ভাবনার মধ্যে একদিন অধ্যাপক মুজফর আহমদের মার্কসবাদ ও কবিতা এই বইটি হাতে এলো। মূল লেখক একজন ইংরেজ পন্ডিত নাম জর্জ টমসনা। বইটি পড়ে আবৃত্তি সম্পর্কে নানা কথা জানতে পারলাম। তাতে দেখলাম আবৃত্তির প্রাচীন রূপ। তা নিন্মরূপ-

যখন আমি দু:খ জনক কিছুর বর্ণনা করি
তখন আমার দুচোখ অশ্র“তে ভরে যায়
যখন ভয়ংকর বা অদ্ভুত কিছু বলি তখন
আমার চুল খাড়া হয়ে যায় এবং বুক
ধুকধুক করতে থাকে যখন আমি পাটাতন থেকে
দর্শকদের দিকে তাকাই তখন দেখি তারা
যা শুনছে তাতে তারা ভাবাবিষ্ট হয়ে কাঁদছে।

এ হ’ল জনৈক গ্রীক আবৃত্তিকারের নিজের কথা। যা তুলে ধরেছেন প্লেটো।
এমনতর আবৃ্িত্তর কথা স্বপ্নেও ভাবা যায় পৃথিবীর কোথাও আজ ? আজকাল আবৃত্তির যে চ-ল তা একটা বিভ্রান্তির জালে জড়িয়ে পড়েছে। দুই বাংলায় আবৃত্তির যে পরীা নিরীা তা এই ভ্রমাত্মক পদ্ধতিকে ভিত্তি করেই চলছে। তবে কি না আধুনিক আবৃত্তিবেত্তাদের বিচারে আবৃত্তি হ’ল কবিতার ছন্দ, শব্দ, সংগীত এবং বিশুদ্ধ উচ্চারণ ভিত্তিক। এভাবেই জগৎব্যাপী আবৃত্তি হয়ে থাকে। তাতে কি কাজ হচ্ছে? না তা হচ্ছে না।
শিল্পের ল্য হচ্ছে মানুষের মনে চিন্তা-চেতনা, ভাবনা সৃষ্টি করা। যা আধুনিক আবৃত্তি দিয়ে কদাচ সম্ভব নয়। এ কারণে সাহিত্য, কবিতা, নাটক, সিনেমা বা গান ইত্যাদি শিল্পের সংগে আবৃত্তি পাল্লা দিয়ে উঠতে পারে না। অথচ আমরা যে গ্রীসের প্লেটো বর্ণিত আবৃত্তি দেখলাম তা তো শিল্প বিচারে শিল্পের উপর শিল্প। আবৃত্তি শিল্পকে শিল্পের মর্যাদায় অথবা মহা এক আর্ট বানাতে হলে প্রাচীন সেই আবৃত্তির পুনরাবৃত্তির বিকাশ ঘটাতে হবে। আমরা তা ঘটাব, অর্থাৎ আবৃত্তিশিল্পে একটা প্রকৃত অর্থেই বিপ্লব আনবো। সে কথায় যাবার আগে বিশ্বব্যাপী যে আধুনিক আবৃত্তি – সে সম্পর্কে দুটো কথা বলবো। আধুনিক আবৃত্তির ভিত্তি কবিতার ফর্ম বা ধারা। ফলে তা কবিতার বিষয়ে যেতে পারে না, ফর্মের প্রভাবের কারণে। অথচ বিষয়বস্তুই শিল্পকলার ভিত্তি। বিষয়বস্তু নেই বলে আধুনিক আবৃত্তিতে ফর্মও নেই। কেননা বিষয়কে ভিত্তি করেই শিল্পের ফর্ম গড়ে উঠে। তা হলে আমরা আধুনিক আবৃত্তি থেকে কি পাই? পাই নিছক কৃত্রিমতা।
যে উচ্চারণ আবৃত্তিতে দেখা যায় তা যান্ত্রিক চেতনার স্পর্শহীন, ভাব, আবেগ অনিকেত বস্তু সম্পর্ক হীন এবং ছন্দ বিষয়ভিত্তিক নয়, তা নিছক কবিতার ছন্দ। এই হেতু গোটা ব্যাপরটা কৃত্রিমতায় আকীর্ণ। যে জন্যে আধুনিক আবৃত্তিতে মানুষের মনে চিন্তা-চেতনা, ভাবনায় কোন ক্রিয়া নেই। এই আবৃত্তির জন্ম হয়েছে ইউরোপে বিশেষত রোমে রেঁনেসার কালে। ক্রমে তা জগতব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে। আমাদের দেশে ডিরোজিও পন্থীবৃন্দ এর পত্তন করেন। আজ দুই বাংলায় যে আবৃত্তির পরীা নিরীা তা সঞ্জীব চন্দ,্র মাইকেল মধুসুদন প্রমূখের আবৃত্তির উপর ভিত্তি করে চলছে। যা একান্তই শূন্য গর্ভ ও সময়ের বিচারে তা অসার, অচল। অথচ তা চলছে প্রকৃত আবৃত্তির অনুপস্থিতির কারণে।
আধুনিক আবৃত্তি কবিতার ফর্মভিত্তিক হওয়ায় তা প্রকৃত আবৃত্তির প্রকৃতির ভিতরে প্রবেশ করতে পারেনা। তাই আমরা এই ধূয়া তুলেছি যে কবিতার গঠন ভেংগে দেয়াই আবৃত্তির মুক্তির মৌল শর্ত। কথাটা বিস্তর ব্যাখ্যা দাবী করে। আমরা এ প্রবন্ধে সে দিকে যাবো না, রচনা সীমিত রাখার কারণে। কবিতাকে ভেংগে আমরা কবিতার বিষয়ে যাবো। তার উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠবে আবৃত্তির ফর্ম। সে ফর্ম গড়ে উঠবে আবৃত্তিকারের প্রকাশ প্রকরণকে ভিত্তি করে। আবৃত্তির ফর্ম সৃষ্টির আগে দরকার আবৃত্তির জন্য যথার্থ একটি ভাষা ব্যবস্থার। আবৃত্তির ভাষা নিশ্চিত করবে যেকোনো ধরনের প্রকাশের নিশ্চয়তা। আবৃত্তির ভাষা থাকার অর্থ – মনের ভাব, চিন্তা-চেতনা অবলীলায় প্রকাশ করা যাবে। প্রাচীন আবৃত্তিকলার মত।
বস্তুত আধুনিক আবৃত্তির সমস্যাই হচ্ছে এর ভাষা সমস্যা। আধুনিক আবৃত্তির ভাষা নেই, সে কবিতার ভাষাকেই নিজের ভাষায় ব্যক্ত করে। কিন্তু এক শিল্পের ভাষা অন্য শিল্পে মিল খেতে পারে না। যেহেতু আধুনিক আবৃত্তির ভাষা নেই, সেই হেতু মনের প্রকৃত ভাব প্রকাশের সুযোগ নেই এতে। মিথ্যা একটা প্রকার প্রকরণে আধুনিক আবৃত্তিকলা জড়িয়ে আছে। এই অবস্থা থেকে আবৃত্তির মুক্তি চাই।
তার জন্যে সর্বাগ্রে আবৃত্তির ভাষা প্রকরণকে নিশ্চিত করতে হবে। আবৃত্তির ভাষা সুনিশ্চিত করতে হলে যে উপাদান গুলো প্রয়োজন তা এই – সচেতন প্রতিফলণ, আবেগ এবং আবৃত্তির নিজস্ব ধারার ছন্দকলা। এই ত্রয়ী মিলে জন্মাবে আবৃত্তির প্রকৃত ভাষা মাধ্যম।
প্রশ্ন উঠবে – আধুনিক আবৃত্তির ভাষা ও যথার্থ অর্থে আবৃত্তির ভাষার মধ্যে পার্থক্য কোথায়? প্রশ্ন উঠতে পারে – আধুনিক আবৃত্তির আবার কি? একটি কবিতার দুটি পংক্তি সামনে রেখে এসব প্রশ্নের উত্তর আমরা খুঁজবো।
‘শোনা গেলো
লাশ কাটা ঘরে
নিয়ে গেছে তারে’
যদিও মূল কবিতার পংক্তি বিভাজন এরকম নয়। তবু আলোচনার সুবিধার জন্যে আমরা দুই পংক্তিকে ভেংগে তিন পংক্তি করে আলোচনা করছি। আধুনিক আবৃত্তিকারবৃন্দ পংক্তি দুটোকে কি করে আবৃত্তি করবেন?
শোনা গেলো লাশ কাটা ঘরে
নিয়ে গেছে তারে…

এখানে – শোনা গেলো/
লাশ কাটা ঘরে/
নিয়ে গেছে তারে /
পংক্তি দুটো ্এভাবে তিন পর্বে যান্ত্রিক ভাষায়, কবিতার ছন্দে, শব্দসংগীতে, কৃত্রিম ভাবাবেগে আধুনিক আবৃত্তিকার আবৃত্তি করেন। ফলে বিষয়বস্তুতে কদাচ তিনি যেতে পারেন না। এর ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ প্রমাণ বিস্তর পরিসর দাবী করে যার সময় সুযোগে আমাদের হাতে নেই। তাই এই কথায় প্রত্যয় রাখবো যে, আধুনিক আবৃত্তি বিষয়কে স্পর্শ করে না। এটা আমার কথাও নয়, কবিগুরু রবীন্দ্রনাথের কথা। ঠিক এ কারণে আধুনিক আবৃত্তি লোকের মনে আবেদন তৈরি করে না।
এবার আমরা ইতিহাস ঐতিহ্য ভিত্তিক আবৃত্তির সর্পিল বিকাশ কি করে, কি প্রক্রিয়ায় ঘটাবো তা এখন দেখা যাক।

শো  /  না /   গে /  লো

বিষয়গত মনের ভাব প্রকাশ করতে হলে আধুনিক আবৃত্তির এক পর্বের পরিবর্তে এরকম চার পর্বে বলতে হবে। এবং বলবো বিষয় জনিত চেতনা ও ভাবাবেগে। বিষয়কে চেতনায় রাখলে মনে যথাযথ ভাবাবেগ সৃষ্টি হবে। যেরকম ভাবাবেগ দেখলাম আমরা প্রাচীন গ্রীসের আবৃত্তিতে। আবৃত্তির এই ফর্মের লয়, মাত্র, স্বর বিষয়কে অনুসরণ করবে।

লা…শ /  কাটা  /  ঘরে
এখানে লা … বলার পর খানিকটা টেনে শ / উচ্চারণ করবো অতপর – কাটা / ঘরে / দুই মাত্রায় বলবো বিষয় ভাব মনে রেখে।
আবৃত্তির একটি মৌল বিষয় হোল সচেতনতা। প্রত্যেকটি শব্দ, শব্দের অর্থ, অর্থেরও অর্থ – বিষয় বাস্তবতা, ভাব-আবেগ, চিন্তা, লয়, মাত্রা, স্বর ইত্যাদি সাকুল্য ব্যাপার সচেতনতার অধীন। জেনে বুঝে তবেই প্রকৃত আবৃত্তি করতে হবে।
‘নিয়ে গেছে তারে’- এর বিষয় অর্থ আদর্শবাদী, দেশপ্রেমিক, সমাজবাদী সজ্জন লোকটিকে চিরতরে লাশ কাটা ঘরে নিয়ে গেছে। এই বাস্তব অর্থ ভাবে-আবেগে স্ফুট করতে হ’লে এক হৃদয় বিদারক ভাবাবেগে নি …/ টেনে গভীরভাবে আবেগকে আত্মার ভিতর থেকে প্রকাশ করতে হবে, তাতে যেন শ্রোতার চোখেও জল এসে যায়। য়ে…/ উচ্চারণেও একই ক্রিয়া আসবে। গেছে/ বুকভাঙ্গা হৃদয়ে এই শব্দ উচ্চারণ করতে হবে। তা…/রে…/ বলতে হবে হৃদয় মথিত করে ফুঁপিয়ে কেঁদে।
ঠিক এভাবে আবৃত্তির ভাষায় আবৃত্তি করলে তা শ্রোতার মনে প্রচ- ছাপ ফেলতে পারে। এতে শ্রোতাবৃন্দ জেগে উঠবেন, তাদেও মধ্যে চিন্তা – চেতনার উদ্রেগ হবে।
এভাবে আমরা ইতিহাসের আবৃত্তির পুণরাবৃত্তি ঘটাতে পারি। এর বিকাশের কথা বলার আগে একটি কথা পরিষ্কার হওয়া জরুরী যে,  আবৃত্তির ভাষা – সচেতন প্রতিফলণ, আবেগ ও আবৃত্তির শব্দ সবসময় একরকম থাকবে। অর্থাৎ ভাষার কোনো রদ হবে না। তবে প্রকাশ যার যার নিজস্ব সৃষ্টিশীল চেতনার প্রকাশ পদ্ধতি – আবেগ, শব্দ, লয়, মাত্রা, স্বরের কাজ ইত্যাদি কবিতার যার যার বিচারের ও প্রকাশ প্রকরণের উপর নির্ভরশীল। অর্থাৎ যার যার নিজস্ব স্টাইলে আবৃত্তি করবেন আবৃত্তিকার। এতে আবৃত্তির দিগন্ত প্রসারিত ও বিচিত্র হবে।
আবৃত্তি কলায় নেতীর নেতীকরণ বা সর্পিল বিকাশ আনতে হলে আধুনিক বিজ্ঞানকে ব্যবহার করতে হবে। যেমন, আলোর কাজ, প্রটেক্টর ব্যবহার, মাইক, যন্ত্রসংগীত ধূপ, ধুয়া, সুগন্ধি দ্রব্য স্প্রে করা ইত্যাদি বিকাশকরণ জনিত নানা উপাদান এতে যোগ করতে হবে। তবেই কেবল আবৃত্তি এ যুগে মহা এক শিল্পকলা রুপে আবিভর্’ত হবে। আবৃত্তির এ ছাড়া অন্যকোনো উপায় নেই – চটর – বেতী / – সামনে এগিয়ে চল।

আধুনিক আবৃত্তি প্রকৃত অর্থে শিল্প নয়। এর নেই ভিত্তি, নেই ফর্ম। কবিতার ভাষা ও ফর্ম ব্যবহারের ফলে তা নিজস্ব স্বকিয়তা হারায়। শিল্প কি? তা বিষয়গত ভাবপুঞ্জের এক প্রকাশ প্রক্রিয়া। এর কোনোটি আধুনিক আবৃত্তিতে দেখা যায় না। শত শত বছর ধরে এই ভ্রমাত্মক আবৃত্তি জগতে চলে আসছে। ওদিকে সমাজে অবক্ষয় বেড়েই চলেছে। তার প্রেক্ষিতে ইতিহাস নির্ভর আবৃত্তির মূলধারার পত্তন চাই। আবৃত্তির ভাষা হাতে এলেই আমরা মূল ধারার শিল্পকলার সঙ্গে মিশে যেতে পারবো এবং সামাজিক দায়-দায়িত্ব মাথায় তুলে নিতে সক্ষম হবো। আমরা আবৃত্তির ভাষা নির্মাণ করেছি, তাই এখন খেয়ার পালে হাওয়া লাগবেই। এখন চাই সুন্দর সফল আবৃত্তিকার।
পরিশেষে একটি কবিতার কয়েকটি পঙতি  দিয়ে শেষ করবো –
বয়স বেড়েছে ঢের নরনারীদের,
ঈষৎ বিভেদে সূর্য নক্ষত্রের আলো;
তবুও সমুদ্র নীল; ঝিনুকের গায়ে আলপনা;
একটি পাখির গান কী রকম ভালো ।

মানুষ কাউকে চায় – তার সেই নিহত উজ্জ্বল
ঈশ্বরের পরিবর্তে অন্যকোনো সাধনার ফল।

সে সাধক হবেন স্বয়ং আবৃত্তিকারক, তার কাজটা খানিক কঠিন হলেও সাধ্যের বাইরে নয়।

লেখক সম্পর্কে কিছু কথা:-

tarik

তারিক সালাহউদ্দিন মাহমুদ। আবৃত্তি অঙ্গনের অতি পরিচিত একটি নাম। যে নামের সাথে মিশে আশে আবৃত্তির ভাবনা ও বোধের জগৎ। ‘বল বীর, চির উন্নত মম শির… বিদ্রোহী কবি নজরুলের এই বিদ্রোহী কবিতার উচ্চারণ ঢং, আবেগ, অনুভ’তির প্রকাশ তার মত কওে আর কে পেরেছে একালে। কনেঠ যাঁর এমন পৌরুষ নাচে সেই তারিক সালাহউদ্দিন মাহমুদই আজ কিনা অর্থাভাবে একমাত্র মেয়ের পড়াশুনার খরচটিও যোগাতে পারছেন না। শুধু তাই নয়, অর্থাভাবে সুচিকিৎসা বঞ্চিত একজন আবৃত্তিশিল্পী কতটা কষ্টে দিন অতিবাহিত করছেন তা স্বচক্ষে না দেখলে কেউ হয়তো বিশ্বাসই করতে চাইবেন না। (বিস্তারিত পড়ুন জীবন কথায় -http://shahittabazar.com/?p=239)
আবৃত্তিগুরু তারিক সালাউদ্দিন মাহমুদকে আনুষ্ঠানিক শ্রদ্ধা ও ভালবাসা জানাবে সাহিত্য বাজার।
জন্ম : ১৪ অক্টোবর ১৯৪১ সালে টাঙ্গাইল জেলায়।
শিক্ষা : ময়মনসিংহের মৃত্যুঞ্জয় স্কুল থেকে ১৯৬২ সালে ম্যাট্রিকুলেশন, আনন্দমোহন কলেজ থেকে ১৯৬৪ তে এইচএসসি, ৬৭ সালে বিএ পাশ কওে উচ্চশিক্ষার জন্য ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে। ১৯৬৯ সালে বাংলায় এমএ পাশ করে গৌরীপুর ডিগ্রী কলেজে ১৯৭০ সালে শিক্ষকতা পেশায় যুক্ত হন তিনি।

তথ্যসূত্র: http://shahittabazar.com

*

*

Top