Bhalukanews.com

কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত উপাচার্যের বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ

kobi

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধিঃময়মনসিংহের ত্রিশালে অবস্থিত জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় গত দুই মাস ধরে অভিভাবকশূন্য অবস্থায় চলছে। মেয়াদ শেষ হওয়াজনিত কারণে উপাচার্য পদটি শূন্য রয়েছে। ভারপ্রাপ্ত ভিসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ট্রেজারার প্রফেসর এএমএম শামসুর রহমান। তার বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ রয়েছে। এ নিয়ে একদিকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনে চলছে অসন্তোষ। এদিকে নিয়োগের আশ্বাসে প্রার্থীদের কাছ থেকে ভারপ্রাপ্ত উপাচার্যের টাকা নেওয়া নিয়েও চলছে গুঞ্জন।
১২ আগস্ট কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহীত উল আলমের চার বছর মেয়াদ শেষ হয়। গত দুই মাসেও নিয়োগ দেওয়া হয়নি নতুন উপাচার্য।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এএমএম শামসুর রহমান ট্রেজারার হলেও প্রশাসনের বিভিন্ন পদে রদবদলও করছেন। বেতন ছাড়াই মাস্টাররোলে কাজ করাচ্ছেন বেশ কয়েকজনকে দিয়ে।
স্থানীয় হারুনুর রশিদ জানান, মাস্টাররোলে নিয়োগের জন্য তিনি ভারপ্রাপ্ত ভিসি এএমএম শামসুর রহমানকে ৮ লাখ টাকা দিয়েছেন। তার মতো আরও অনেকেই টাকা দিয়েছেন। যোগাযোগ করলে জানান, সিন্ডিকেট মিটিং হলেই চাকরি হবে।
ত্রিশালের ওমর ফারুক আকন্দ জানান, চাকরি না পেয়ে ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য কাছে টাকা ফেরত চেয়েছেন তিনি। তিনি বলেছেন, চাকরি দিতে না পারলে টাকা ফেরত দেবেন।
নাট্যকলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ রুহুল আমীন জানান, মাস্টাররোলে টাকার বিনিময়ে চাকরি দেওয়ার বিষয়ে তার সহযোগিতা চেয়েছিলেন শামসুর রহমান। তবে তিনি প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী চ্যান্সেলরের আদেশে ট্রেজারার ভারপ্রাপ্ত ভিসির দায়িত্ব না পেয়ে কোনো নিয়োগ, বদলি বা দায়িত্ব ও অব্যাহতি দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন না বলে দাবি করেন প্রক্টর প্রফেসর ড. জাহিদুল কবীর।
অভিযোগের ব্যাপারে জানতে চাইলে ভারপ্রাপ্ত ভিসি প্রফেসর এএমএম শামসুর রহমান জানান, সব বিশ্ববিদ্যালয়েই নিয়োগবাণিজ্য আছে। তিনি পূর্ণ ভিসি হলে এসব নিয়োগ দেবেন। তিনি আরও জানান, অচিরেই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হতে যাচ্ছে। পূর্ণ ভিসি হলেই সব বদনাম মিটে যাবে বলে দাবি করেন তিনি।

*

*

Top