Bhalukanews.com

কারাগারে খালেদাহঠাৎ জরুরি বৈঠক ডেকেছে বিএনপি

অনলাইন ডেস্ক: দলের পরবর্তী করণীয় ঠিক করতে ভাইস-চেয়ারম্যান, উপদেষ্টা, যুগ্ম-মহাসচিবদের সাথে জরুরি বৈঠক ডেকেছে বিএনপির সর্বোচ্চ নীতি-নির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটি।

শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বিএনপি চেয়ারপাসনের গুলশান রাজনৈতিক কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা যায়।

চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং কর্মকর্তা শায়রুল কবির খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে বৈঠকে কী কী বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে সে বিষয়ে কিছু জানাতে পারেননি তিনি।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার কারাদণ্ডের পর বিএনপি কীভাবে তাদের সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করবে এ বিষেয় সিদ্ধান্ত নেয়া হতে পারে।

এছাড়াও নির্বাচনকালীন সরকারের বিষয়েও আওয়ামী লীগ আগের অবস্থানেই রয়েছে। ফলে এসব বিষয়ে আলোচনা করে দলের করণীয় নির্ধারণ করতেই মূলত সর্বোচ্চ নীতি-নির্ধারণী কমিটি বৈঠক ডেকেছেন।

এর আগে ৯ জানুয়ারি চেয়ারপারসনের গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের নেতৃত্ব নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, এটা নিয়ে সংশয়ের কোনো কারণ নেই। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাবসেন্স অব চেয়ারপারসন। তিনি চেয়ারপারসনের দায়িত্ব পালন করবেন। তিনি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসনের দায়িত্ব পালন করছেন।

খালেদা জিয়া কারাগারে রয়েছেন এই পরিস্থিতিতে দল এবং সাধারণ মানুষদের প্রতি আপনাদের কি আহবান থাকবে- জানতে চাইলে তিনি জানান, নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে খালেদা জিয়া নিজেই বলে গেছেন, আপনারা শান্ত থাকবেন। আপনারা ধৈর্য হারাবেন না। এবং আমার মুক্তির জন্য বা গণতন্ত্রের জন্য আসন্ন নির্বাচনের জন্যে আমাদের যে আন্দোলন তা হলে শান্তিপূর্ণ সম্পূর্ণ অহিংস। নিয়মতান্ত্রিক গণতান্ত্রিক উপায়ে।

ঠিক এই মুহূর্তে চেয়ারপার্সনের কী পরিস্থিতি, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, সবাই যা জানেন আমিও তাই জানি। পত্র পত্রিকায় যা দেখছি, খবর যা পেয়েছি, সেটা হচ্ছে উনাকে পুরোনো এবানডেন্ট সেন্ট্রাল জেলে সুপারের ঘরে রাখা হয়েছে। আর পরিবারের সদস্যরা দেখা করেছেন। তাদের সাথে আমার এখনো কথা হয়নি। আমি ঠিক জানি না।

খালেদা জিয়া শারিরিকভাবে অসুস্থ, তার খাবার ঔষুধপত্র সেসব নিয়ে কী পরিকল্পনা করছেন, জানতে চাইলে বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, এসব নিয়ে আমি সুনির্দিষ্টভাবে কিছু বলতে পারবো না। তবে আমি আশা করছি এবং আমাদের প্রত্যাশা খালেদা জিয়া তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, দুই বারের বিরোধী দলীয় নেত্রী, জনপ্রিয় রাজনৈতিক দলের নেতা, বৃহৎ রাজনৈতিক দলের চেয়ারপার্সন সুতরাং তার যেটা প্রাপ্য সেই অংশটাই পাওয়া উচিত।

তিনি আরও বলেন, আপনারা জানেন আমাদের দেশের আইন অনুযায়ী জামিন পেতে হাইকোর্টে যেতে হবে। সেই সঙ্গে তার (খালেদা জিয়ার) জামিন চাইতে হবে। যেহেতু কোর্ট শুক্রবার ও শনিবার বন্ধ, আমরা আশা করছি আগামী রোববার বা সোমবারের মধ্যে যদি কাগজপত্র পাওয়া যায় তাহলে এ ব্যাপারে আইনী প্রক্রিয়ার কাজ শুরু হবে। কিছুটা কাজ চলছে।

*

*

Top