Bhalukanews.com

অাফরীন জাহান একজন নারী এবং মানবতার বন্ধু

জাহানারা ঈমাম,বেগম রোকেয়া,মালালা ইউসুফ জাই, মাদার তেরেসার মতো অনেক নারাীরাই মানব কল্যানে ও দেশের কল্যানে কাজ করার জন্য মানুষের কাছে অাজো বেচে অাছেন,বেচে থাকবেন যুগের পর যুগ।তবে পর্দার অন্তরালে থেকে এই পৃথিবীতে অনেক নারীরাই নীরবে নিভৃতে মানব কল্যানে ও দেশের কল্যানে কাজ করে যাচ্ছেন যাদেরকে অামরা চিনিনা,জানিনা।ওনারা যার যার অবস্হান থেকে মানব কল্যানে কাজ করে যাচ্ছেন।নিরবে নিভৃতে কাজ করা এমই একজন নারীর নাম অাফরীন জাহান।জন্ম জামালপুর জেলার পেয়ারপুর গ্রামে।পড়াশুনা ঢাকাতে।সংসার জীবনের পাশাপাশি ঢাকার একটি স্কুলে শিক্ষকতা করছেন।২ সন্তানের জননী।সংসার,শিক্ষকতার পাশাপাশি একটা মানবিক কাজে তাঁর স্বামীকে সবসময় পিছন থেকে সহযোগীতা করে যাচ্ছেন।তাঁর এই সহযোগীতা না থাকলে হয়তো বান্দরবানের সেই জংগল থেকে নিয়ে অাসা মানসিক ভারসাম্যহীন (পাগল) অন্তর,ঢাকার রাস্তায় পরে থাকা অাদুরী,মানিকগন্জে রাস্তায় পরে খাকা পারুলীর মতো মেয়েরা সুস্হ্য হয়ে তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে পারতো না।শুধু তাই নয়,তাঁর সহযোগীতায় তাঁর স্বামী এদেশের রাস্তা ঘাটে ঘুরে বেড়ানো পাগলদেরকে সু্স্হ্য করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিতে দিতে পেরেছে।অাজ তাঁর স্বামীর মানবিক এই কাজগুলো দেখে অনেকেই অনুপ্রানিত হচ্ছে এবং রাস্তার পাগলদের প্রতি দৃষ্টিভংগি বদলাচ্ছে।তাই অামি মনে করি পাগলদেরকে সুস্হ্য করার জন্য যে সংগ্রাম শুরু হয়েছে তার কৃতিত্যের দাবীদার জামালপুরের এই নারী অাফরিন জাহান।বহুল অালোচিত মাদারীপুরের শিবচর থেকে নিয়ে অাসা পাগলী মা সালমা এই অাফরিন জাহানের বাসায় ছিল ৩৬ ঘন্টা।শুধু তাই নয়,পাগলী সালমার খাওয়া দাওয়া হয়েছে এই অাফরিন জাহানের হাতে।পাগলি মা সালমা এই অাফরিন জাহানকে ভাবী বলে ডাকতো। বাংলাদেশের কতজন নারী রাস্তা থেকে নিয়ে অাসা একটা পাগলকে নিজ বাসায় নিজ সন্তানদের সাথে রাখতে পারবে তা অামার জানা নাই।অনকেই হয়তো অর্থ,শ্রম,সময়,পরামর্শ,সাহস দিয়ে সহযোগীতা করবে।কিন্তু নিজ বাসায় রাস্তার একটা পাগলকে থাকতে দিবে না।তাই অাজ এই নারী দিবসে মানব কল্যানে সহযোগীতার জন্য নিরবে নিভৃতে কাজ করা অাফরিন জাহানকে সম্মান জানালাম।দোয়া করি যেনো তাঁর এই কাজের মাধ্যমে যুগ যুগ মানুষের মাঝে বেচে থাকে।

ব্যাংকার শামীম অাহমেদ। ছবি : রাসেল রহমান (Russel Rahman)ফেবু থেকে…

*

*

Top