Bhalukanews.com

আসারামের বিশ্বাস; ধর্ষণ ধর্মগুরুদের জন্য পাপ নয় !

ধর্ষণের দায়ে যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত ভারতের বিতর্কিত ধর্মগুরু আসারাম বাপু বিশ্বাস করতেন, মেয়েদের যৌন শোষণ করা ‘ব্রহ্মজ্ঞানী’ বা ‘জ্ঞানী ব্যক্তি’ যারা ‘সাধক’ হিসেবে পরিচিত তাদের জন্য পাপ নয়। স্বঘোষিত এই ধর্মগুরুর আশ্রমে এক স্কুলছাত্রীকে নিপীড়নের প্রত্যক্ষদর্শী রাহুল কে সাচার আদালতকে এ তথ্য জানান।

আসারাম বাপুর ভক্ত ছিলেন রাহুল কে সাচার। আদালতকে তিনি বলেন, যৌন সক্ষমতা বাড়াতে নিয়মিত ওষুধ সেবন করতেন আসারাম। কয়েক বছর আগে আশ্রমে এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে অভিযুক্ত হয়ে কারাগারে গেছেন ধর্মগুরু আসারাম ও তার এক সহযোগী।

আসারামের ঘনিষ্ঠ ছিলেন সাচার। দণ্ডিত এই ধর্মগুরুর ‘কুটিয়া’ বা ‘আশ্রমে’ প্রবেশের অনুমতি ছিল সাচারের। ২০০৩ সালে সাচার রাজস্থানের পুস্কর, হরিয়ানার ভিওয়ানি এবং গুজরাটের আহমেদাবাদের আশ্রমে তরুণীদের যৌন-নিপীড়ন চালাতে দেখেন আসারামকে।

নতুন নতুন তরুণীদের আসারামের আশ্রমে নিয়ে যেতেন ওই তিন তরুণী ও সাচার। রাস্তায় টার্গেটকৃত তরুণীকে তারা নিয়ে যেতেন কুটিয়ায়। তরুণীদের টার্গেট করার জন্য ওই তিন তরুণীসহ আশ্রমের আশপাশের এলাকায় ঘুরতেন সাচার।

আহমেদাবাদে এক সন্ধ্যায় কুটিয়ার প্রাচীরে উঠে সাচার দেখেন, স্বঘোষিত এই ধর্মগুরু এক তরুণীকে যৌন হয়রানি করছেন। পরে আসারামের কাছে একটি চিঠি লিখে সাচার জানতে চান কেন তরুণীদের সঙ্গে এ ধরনের কাজ করছেন। ওই চিঠিটি তিনি কুটিয়ার পাচককে দিয়েছিলেন। আসারাম চিঠি পড়লেও কোনো জবাব দেননি।

সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া।

*

*

Top