Bhalukanews.com

ক্রাইস্টচার্চে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত ৩২ জনের ছবি প্রকাশ

নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে হামলায় নিহতদের মধ্যে ৩২ জনের ছবি প্রকাশ করেছে কর্তৃপক্ষ। এছাড়া বাড়তি কিছু তথ্যও প্রকাশ করেছে তারা। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল জানিয়েছে, হামলার প্রায় তিন দিন পর আরও কিছু তথ্য প্রকাশ করেছে কর্তৃপক্ষ। এতে ৫০ জন নিহত হলেও এখন পর্যন্ত ৩২ জনের ছবি প্রকাশ করা হয়েছে।

নতুন তথ্যে বলা হয়, হামলায় নিহতদের মধ্যে শিশুসহ শিক্ষার্থী পাইলট, প্রকৌশলী এবং স্বাস্থ্য কর্মকর্তা রয়েছেন।

নিহত হওয়া ওজাইর কাদির নামের শিক্ষার্থী পাইলট নিউজিল্যান্ডের ইন্টারন্যাশলান এভিয়েশন একাডেমিতে পড়ালেখা করতেন।

এর আগে বুধবারের মধ্যে সব মৃতদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তরের ঘোষণা দিয়েছে নিউজিল্যান্ড সরকার।

এজন্য নিহত ৫০ জনের মরদেহ শনাক্তে দ্রুততার সঙ্গে কাজ চলছে। মুসলিম নিয়মানুযায়ী তাদের দাফন সম্পন্ন করতেই এমন উদ্যোগ নিয়েছে তারা।

রোববার নিউজিল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট জাসিন্ডা আরডার্ন জানান, শনাক্ত হওয়া মরদেহগুলোকে তাদের পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেয়া হচ্ছে।

বুধবারের মধ্যে সব মরদেহ সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলোর কাছে হস্তান্তর করা হবে।

এ সম্পর্কে এক পুলিশ কর্মকর্তা জানায়, আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালঞ্জ হলো সঠিকভাবে মরদেহগুলোকে চিহ্নিত করা। একজনের মরদেহ তার নিজের পরিবারের পরিবর্তে অন্য পরিবারের হাতে তুলে দেয়ার মতো বাজে কাজ আর দ্বিতীয়টি নেই।অবশ্য আমাদের এখানে এমনটি হবে না।

এদিকে, নিউজিল্যান্ডের ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ হামলায় অভিযুক্ত ব্রেনটন ট্যারান্টের চাচাতো বোন ডন্না কক্স জানিয়েছেন, তার আত্মীয়ের প্রাপ্য হলো মৃত্যুদণ্ড।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইলের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

কক্স অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলসে বসবাস করেন। ২৮ বছর বয়সী এই নারী বলেন, ট্যারান্ট ক্রাইস্টচার্চে হামলা চালিয়ে ৫০ জনকে মেরেছে, এটা জানার পর থেকে মনে হচ্ছে তার আত্মীয় হওয়াটা দুর্ভাগ্যের।

কক্স বলেন, ট্যারান্ট খুব ভালো পরিবারের সন্তান। বিশেষ করে তার বাবা-মাকে কমিউনিটির সবাই খুব সম্মান করতো। কিন্তু এই কাজের মাধ্যমে সে তাদের একেবারে নিচে নামিয়ে রেখে গেল।

কক্স আরও বলেন, সে যেভাবে বেড়ে উঠেছে তাতে এমন কাজ করার কথা নয়। অবশ্য আমি তাকে ডিফেন্ড করবো না। তবে জিজ্ঞেস করার সুযোগ থাকলে আমি তাকে জিজ্ঞেস করতাম কেন সে এমনটি করেছে।

ট্যারান্টের মা শেরন একজন স্থানীয় স্কুলশিক্ষক। শুক্রবার হামলার পর ক্লাসের মধ্য থেকেই তাকে তুলে নিয়ে যায় নিউজিল্যান্ড পুলিশ।

বর্তমানে ট্যারান্টের মা এবং বোন পুলিশ হেফাজতে আছে। তাদেরকে ফোন ব্যবহার করতে দেয়া হচ্ছে না।

*

*

Top