Bhalukanews.com

ভালুকায় ৭ম বারের মতো শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক নির্বাচিত হলেন আনোয়ারা নীনা

 

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারেরশিক্ষা মন্ত্রনালর নির্দেশনায় বিভিন্নমানদন্ডে যাচাই বাচাইয়ের মাধ্যমে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০১৯ এর ভালুকা উপজেলার ফলাফল গত ২০ মার্চ (বুধবার) রাতে ঘোষণা করা হয়এ ফলাফলে দেখা যায়, ভালুকাউপজেলায় ৭ম বারের মতো শ্রেষ্ঠপ্রধান শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছেনভালুকার ঐতিহ্যবাহী হালিমুন্নেছাচৌধুরাণী মেমোরিয়াল বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনোয়ারা নীনা। শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠানপ্রধান, শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান, শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক, শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী, শ্রেষ্ঠ স্কাউট শিক্ষক, শ্রেষ্ঠ স্কাউট, শ্রেষ্ঠ স্কাউট গ্রুপসহ ৯টি ক্যাটাগরিতে অর্থাৎ এবিদ্যালয়টি এ বছর ভালুকাউপজেলায় শ্রেষ্ঠত্বের তালিকায় প্রায়সকল বিষয়ে একক আধিপত্য স্থাপনকরেছে।  উপজেলায় শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান(বিদ্যালয়) নির্বাচিত হন হালিমুন্নেছা চৌধুরাণী মেমোরিয়ালবালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, শ্রেষ্ঠ শ্রেণিশিক্ষক নির্বাচিত হন এ বিদ্যালয়েরসহকারী শিক্ষক সামিউল ইসলাম (২য় বার), শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী নির্বাচিত হনএ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির ছাত্রীতনুশ্রী সরকার, শ্রেষ্ঠ স্কাউট নির্বাচিতহন ১০ম শ্রেণির ছাত্রী মোছা. কুলসুম আক্তার। শ্রেষ্ঠ স্কাউট শিক্ষক নির্বাচিত হন এ বিদ্যালয়েরে শরীর চর্চা শিক্ষক শরীফা বেগম(২য় বার)। শ্রেষ্ঠ স্কাউট গ্রুপ নির্বাচিত হন এবিদ্যালয়ের স্কাউট গ্রুপ। উচ্চাঙ্গ নৃত্যে শ্রেষ্ঠ হন ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থী সুমাইয়া জামান স্নিগ্ধা, লোক নৃত্যে শ্রেষ্ঠ হন ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থী রোপা রেমা।  অর্থাৎ ৯টি ক্যাটাগরিতে এবিদ্যালয় শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছে।একৃতিত্ব ভালুকা উপজেলায় কোনোএকক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের  ক্ষেত্রেপ্রথম। শুধু তাই নয়, ৭ম বারের মতোশ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক নির্বাচিত হওয়ারইতিহাস ময়মনসিংহ জেলায় এইপ্রথম।

প্রধান শিক্ষক আনোয়ারা নীনাতাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়ায় জানান,আমার ৩০ বছরের শিক্ষকতাজীবনের সবচেয়ে বড় পাওয়া আজপেয়েছি। আমি এবং আমারপ্রতিষ্ঠান আজ উপজেলায় ৯টিক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণরেখেছে। এ পাওয়া কতোটাআনন্দের তা ভাষায় প্রকাশ করতেপারছি না। এ পাওয়া শুধু আমারএকার পক্ষে সম্ভব হয় নি।বিদ্যালয়ের প্রতিটি শিক্ষকবিদ্যালয়ের প্রতি খুবই আন্তরিক।তাদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে এবংম্যানেজিং কমিটির সার্বিকসহযোগিতায় এ কৃতিত্ব অর্জন সম্ভবহয়েছে। বিদ্যালয়ের শিক্ষক ওশিক্ষার্থীরা খুবই সুশৃংখল। বিদ্যালয়ে খেলাধূলা, নাচ-গান, আবৃতি, বিতর্ক, বক্তৃতা প্রতিযোগিতার অনুশীলন করা হয়। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মনের ভাব প্রকাশের জন্য স্কুল ম্যাগাজিনও প্রকাশ করা হয়। এছাড়াও আরো বিভিন্ন ধরনেরসহপাঠ্য কার্যক্রম পরিচালনা করাহয়। তিনি আরও বলেন, আমারবিদ্যালয়টিকে বাংলাদেশের মধ্যেমডেল হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।

*

*

Top