Bhalukanews.com

বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি এলাকার ৮ গ্রামের ক্ষতিগ্রস্তদের মানববন্ধন

মোঃ রুকুনুজ্জামান বাবুল, পার্বতীপুর (দিনাজপুর) :দিনাজপুরের পার্বতীপুরে অবস্থিত বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি এলাকারক্ষতিগ্রস্তরা ৮ দফা দাবী আদায়ে মানববন্ধন করেছে। আজ সোমবার (২১ নভেম্বর)বেলা ১১টায় জীবন, পরিবেশ ও সম্পদ রক্ষা কমিটির ডাকে বড়পুকুরিয়া বাজারসড়কে মানববন্ধনে ৮ গ্রামের প্রায় ৪ হাজারেরও বেশি নারী-পুরুষ অংশ নেয়।এতে বক্তব্য রাখেন, সংগঠনের আহবায়ক এম মশিউর রহমান বুলবুল, সদস্য সচীবসাইফুল ইসলাম, আলহাজ্ব লিয়াকত আলী, ইউপি চেয়ারম্যান সাদিকুল ইসলাম, খনিশ্রমিক নেতা রবিউল ইসলাম, বড়পুকুরিয়া স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ আবদুলকাদের, সোলায়মান সামি ও বেলাল হোসেন প্রমুখ। পরে দুপুর ১টায় বড়পুকুরিয়াকয়লা খনির ব্যবস্থাপনা পরিচালকের (এমডি’র) কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন আন্দোলনকারীরা।
মানববন্ধনে সংগঠনের আহবায়ক এম মশিউর রহমান বুলবুল বলেন, বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির ভূ-গর্ভ থেকে কয়লা উত্তোলনের ফলে খনি পার্শ্ববর্তী এলাকার কৃষি ভূমি দেবে গিয়ে জলাশয়ের সৃষ্টি হয়। বর্তমানে অধিগ্রহনকৃত এলাকা ছাড়াও নতুন করে খনি পার্শ্ববর্তী বাঁশপুকুর, কাজিপাড়া, বৈদ্যনাথপুর (আংশিক), শিবকৃষ্ণপুর, পাতরা পাড়া, পাতিগ্রাম (আংশিক), বৈগ্রাম, কাশিয়াডাঙ্গা গ্রামের মানুষ হুমকীর মুখে পড়েছে। তাদের বাড়ী ঘরে ধরেছে ফাটল। পানি উঠছেনা টিউবওয়েল গুলোতে। শিক্ষা প্রতিষ্টান গুলোতে ধরেছে ফাটল। ঝুকি নিয়ে ক্লাস করছে শিক্ষার্থীরা। রাস্তাঘাট দেবে যাওয়ায় বর্ষাকালে চলাচল করা যায় না। ক্ষতিগ্রস্থ এলাকাবাসীর সাথে খনি কর্তৃপক্ষের চুক্তি অনুযায়ী স্থানীয় বেকারদের খনিতে চাকুরী দেওয়ার কথা থাকলেও বহিরাগতদের চাকুরী প্রদান করা
হচ্ছে। পূর্বের অধিগ্রহনকৃত জায়গা থেকে ৪শ’ পরিবারকে উচ্ছেদ করে মাইনিংসিটি নামে আবাসন প্রকল্প গড়ে তোলা হলেও সেখানে মসজিদ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ঈদগাহ মাঠ এমনকি কবরস্থানের সুবিধা রাখা হয়নি। অথচ খনিতে কর্মরত ১৫০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী কয়লা বিক্রির লাভের অংশ থেকে বছরে প্রায় ২০ কোটি টাকা প্রফিট বোনাজ ভাগ করে নিলেও অত্র ইউনিয়নে রয়েলিটি, হোল্ডিংসহ কোন ট্যাক্স প্রদান করেন না। তিনি অবিলম্বে  ক্ষতিগ্রস্তদের ৮ দফা দাবি মেনে নিয়ে ক্ষতিপুরন প্রদানের দাবি জানান। অন্যথায় বৃহত্তর
আন্দোলনের হুমকী দেন।
এব্যপারে একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এসএমএন প্রকৌশলী আওরঙ্গজেব তিনি ফোন রিসিভ না করায় মতামত পাওয়া সম্ভব হয়নি।

*

*

Top