Bhalukanews.com

উপ-সম্পাদকীয় articles

বিশ্বকাপ ফুটবল ও বাঙালীর পাগলামী_সফিউল্লাহ আনসারী

বিশ্বকাপ ফুটবল ও বাঙালীর পাগলামী_সফিউল্লাহ আনসারী

  চলছে বিশ্বকাপ ফুলবলের সবচেয়ে বড় আসর ফিফা ওর্য়াল্ডকাপ-২০১৮। বিশ্বজুড়েই ফুটবল উন্মাদনা। পৃথীবির সকল দেশেই ফুটবল জ্বরে ভোগছে ফুটবলপ্রেমী। আমাদের বাংলাদেশ এর ব্যাতিক্রম নয়। দেশের আনাচে-কানাচে,দোকান,হাট-বাজার,স্কুল-কলেজ-ভার্সিটি, ঘরে-অন্দরে সর্বত্রই বিশ্বকাপ ফুটবল উন্মাদনা। নিজের পছন্দের দলকে সার্পোট করে কেউবা বাজি ধরতেও দ্বীধা করছে না। সারা দেশে সর্মথকদের প্রিয় দলের পতাকায় ছেয়ে গেছে পাড়া-মহল্লা, সড়ক-মহাসড়ক,বাড়ীর ছাদ এমনকি গাড়ীতেও

‘ঈদ’ আনন্দ উৎসবকে রঙিণ করি_সফিউল্লাহ আনসারী

  ঈদ মানে আনন্দ, ঈদ মানে খুশি ! ঈদুল ফিতর মুসলিম বিশ্বের অন্যতম প্রধান আনন্দ উৎসব। একমাস সিয়াম সাধনা শেষে বিশ্ব মুসলিমের ঘরে আনন্দের বারতা নিয়ে পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগমন ঘটে প্রতি বছর। মুসলিম বিশ্বে ভেদাভেদহীন সমাজ প্রতিষ্ঠায় দুই ঈদের ভুমিকা অপরিসীম। সাম্য-মৈত্রী-শান্তি আর মুসলিম উম্মাহর ঐক্যের সওগাত নিয়ে প্রতিবছর আমাদের মাঝে উপস্থিত হয় ঈদুল

~বৈশাখ~ বাঙালীর প্রাণের উৎসব

:সফিউল্লাহ আনসারী: বাংলা এবং বাঙালীর ঐতিহ্যের প্রতীক, প্রাণের উৎসব ‘বৈশাখ’। বৈশাখ মানেই বাঙালীর সার্বজনীন উৎসব। বৈশাখের ছন্দ-উচ্ছাস এসো হে বৈশাখ’-গানটিও যেনো মিশে গেছে বাঙালী আর বৈশাখী উৎসবে। পহেলা বৈশাখ মানেই বাঙালীর চিরায়ত সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ । যে উৎসবকে অস্বীকার করা যায় না। কারন সকল জাতি-গোষ্ঠি, মতাদর্শেও লোকের কাছেই সমনা গুরুÍের দিন এই পয়লা বৈশাখ। বৈশাখকে

রবিদাস জনগোষ্ঠীর জীবনধারা- শিপন রবিদাস প্রাণকৃষ্ণ

রবিদাস। ¯¦তন্ত্র ভাষা, সংস্কৃতি, ধর্ম, বিশ্বাস, সমাজ-ব্যবস্থা দ¦ারা নিয়ন্ত্রিত এক স্বয়ংসম্পূর্ন জাতিসত্ত্বা। বাংলাদেশের অবহেলিত, অনুন্নত, মূল¯্রােত থেকে পিছিয়েপড়া রবিদাস জাতিগোষ্ঠীকে শুরুথেকেই পদে পদে বঞ্চনার শিকার হয়ে আসছে। নিষাদ জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভূক্ত, সুপরিচিত এ জাতিগোষ্ঠীই ভারতে মূল নিবাসী হিসেবে স্বীকৃত। নিজস্ব ভাষা, সংস্কৃতি, ধর্ম, বিশ্বাস, সমাজ-ব্যবস্থা নিয়ে গর্ব করার মত অনেক কিছু থাকলেও দারিদ্রতা, শিক্ষার অভাব ও

“আবহমান বাংলার ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি সিলেটের ধামাইল নাচ” -প্রভাষক উত্তম কুমার পাল হিমেল

বাংলাদেশের বিয়ের গানের সর্বাধিক জনপ্রিয় মাধ্যম হচ্ছে ধামাইল গান ও নাচ। ধামাইল গান মূলত নৃত্য সংবলিত। কাহিনীমূলক সংগীত বলে এ ধরনের পরিবেশনা রীতি ধামাইল নাচ নামে ও সমধিক পরিচিত। সাধারনত বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের হিন্দু সম্প্রদায়ের বিয়ে উপল্েয এ ধামাইল নাচ সংগীত সহযোগে পরিবেশিত হয়ে আসছে। এ নাচের অন্যতম বিশেষত্ব হচ্ছে এ নাচ স্ত্রী সমাজের মধ্যেই

স্যালুট ‘সেই ব্যারিকেডকারীদের’

অনার্স ফাইনাল ইয়ার ভাইভায় আমাকে একবার প্রশ্ন করা হয়েছিল-আচ্ছা বলেন তো,স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রথম সশস্ত্র প্রতিবোধ শুরু হয়েছিল কোথা থেকে? এদিক-সেদিক কোন চিন্তা না করেই উত্তরে আমি বলেছিলাম-‘জয়দেবপুর থেকে’। প্রশ্নদাতা একটু হেসে বলে উঠলেন,আপনে গাজীপুরের সন্তান বলেই কি জয়দেবপুর বললেন? আমি বললাম গাজীপুরের সন্তান হয়ে নিজেকে গর্ববোধ করি। কারণ স্বাধীনতা যুদ্ধে যে সাহসী ‘গণ প্রতিরোধ’ প্রয়োজন

বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন সে তো বাংলাদেশেরই জন্মদিন বা বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনে হৃদয় অর্ঘ্য_মোঃ কায়ছার আলী

আমেরিকা ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে একট গল্প প্রচলিত আছে। এক বিশাল দ্বীপকে নিয়ে গল্পটি তৈরী। এই দ্বীপে প্রায় ৫ লাখ লোকের বাস। দ্বীপটির নিরাপত্তা ঝুঁকিপ্রকট। দ্বীপবাসীরা দেখল উজ্জ্বল এক আলোকবর্তিকা ধীরে ধীরে আকাশ থেকে নেমে আসছে। তারা একে অনুসরণ করল এবং একটি বড় ফাঁকা মাঠে তা এসে থামল। অর্থাৎ সেটাই ছিল একজন দেবদূত। চারিদিকে হাজার

বাংলা ভাষার বই; পাঠ অভ্যাসে প্রজন্ম

আবুল বাশার শেখ বছর ঘুরে আবার শুরু হলো শোক শক্তি আর গর্বের মাস, ভাষার অধিকার আদায়ের মাস ফেব্রুয়ারি। ‘মোদের গরব মোদের আশা, আমরি বাংলা ভাষা’ এই প্রিয় বাংলা ভাষা বাংলাদেশের বাঙালী জাতির প্রাণের সাথে মিশে আছে। এ মাসটির সঙ্গে মিশে রয়েছে বাঙালির কৃষ্টি সংস্কৃতি ঐতিহ্য আর বীরত্ব গাঁথা। ইতিহাস শিক্ষা দেয় একমাত্র বাঙালি জাতি ছাড়া

ধুলির রাজ্যে অসহায় মানুষ -সফিউল্লাহ আনসারী

দেশ জুড়ে ধুলির রাজ্যে অসহায় মানুষ। ধুলি ধুসরিত শহর,নগর,গ্রাম এমনকি মেঠোপথ শুধু কি ঢাকার সৌন্দর্য ধুলির আস্তরণে ঢেকে যাচ্ছে ? না। সারাদেশে বেহাল পাঁকা-কাঁচা সড়কে উড়ছে ধুলি আর বালি। ধুলো-বালিতে বাড়ছে অসুখ। স্কুলগামী ুদে শিার্থীরা প্রায়ই স্কুলে অনুপস্থিত, কারন ঠান্ডা-জ্বর। নামক-মুখে মাস্ক লাগিয়েও রে নেই । বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের যন্ত্রনা এই ধুলিতে সবচেয়ে বেশী

উন্নয়ন প্রত্যাশী গণমানুষই আওয়ামি লীগের শেষ ভরসা : আদম তমিজি হক

বাংলাদেশ পৃথিবীর সবচেয়ে জনবহুল দেশ। স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল সাড়ে সাত কোটি, যা স্বাধীনতার চার যুগ পর দ্বিগুণের অধিক হয়ে ১৬ কোটিতে গিয়ে ঠেকেছে। স্বাধীনতা-উত্তর সময়ে আমরা যে খাদ্য উৎপাদন করতাম, তা দেশটির সাড়ে সাত কোটি জনগোষ্ঠীর চাহিদা মেটানোর জন্য পর্যাপ্ত ছিল না। স্বাধীনতা-উত্তর যে পরিমাণ ভূমি ধান উৎপাদনে ব্যবহার হতো বর্তমানে ভূমির পরিমাণ কমলেও