Bhalukanews.com

উপ-সম্পাদকীয় articles

ফররুখ আহমদ:ইসলামী নবজাগরণের কবি-সফিউল্লাহ আনসারী

আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম কবি ফররুখ আহমদ।ইসলামী রেনেসাঁর কবি,নবজাগরণের কবি,মানবতার কবি,সংগ্রাম ও ন্যায়ের কবি ইত্যাদী নামে যাঁর পরিচিতি সে কবি ফররুখ আহমদ।অসংখ্য কবিতার রচয়িতা কবি ফররুখ আহমদ লিখেছেন-কাব্যনাট্য, মহাকাব্য,রোমান্টিক কবিতা,সনেট, ব্যঙ্গ-রসাত্মক কবিতা,শিশুতোষ ছড়া, হামদ ও নাত, ইসলামি কবিতা, আধুনিক ও দেশাত্মবোধক গান এমনকি গল্প ও প্রবন্ধ রচনায় ছিল তাঁর সিদ্ধহস্ত।১৯১৮ সালের ১০ জুন(তৎকালীন যশোর জেলার

জীবনের জন্য চাই সুন্দর পরিবেশ -সফিউল্লাহ আনসারী

পরিবেশ মানুষের বেঁচে থাকার জন্য অপরিহার্য’ বণ্যপ্রাণী ও পরিবেশ,বাঁচায় প্রকৃতি বাঁচায় দেশ’প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে এবার, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গণসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সম্মিলিত কার্যকর বৈশ্বিক পদক্ষেপ গ্রহণের লক্ষ্য নিয়ে দিবসটি পালিত হয়েছে।জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচির (ইউএনইপি) উদ্যোগে প্রতিবছর বিশ্বের ১০০ টিরও বেশি দেশে ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস হিসেবে পালন করা হয়।যেহেতু পরিবেশ মানুষের জন্য অপরিহার্য তাই সেই পরিবেশটা

বিষমুক্ত ফল চাই -সফিউল্লাহ আনসারী

ষড়ঋতুর এই দেশে আবার এলো বাঙালির মধুমাস ।বাংলা বর্ষপঞ্জিতে মধুমাস হিসেবে জৈষ্ঠ অন্য মাসের চেয়ে আলাদা ও গুরুত্বপূর্ন।জ্যৈষ্ঠ মাস বাঙালির কাছে মধুমাস হিসেবেই পরিচিত,কারন রসালো ফলের রসে মৌ মৌ চারপাশ।এই মাসে গ্রীষ্মকালীন ফল আম,জাম,লিচু,কাঠালসহ অন্যান্য ফলের সমারোহ ঘটে দেশজুড়ে।আবহমানকাল থেকে বাঙালি রসনা মেটায় এসব রসালো ফল ভক্ষন করে।এসব দেশী ফল আমাদের দেহের জন্য খাদ্য ও

নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস

  ২৮ মে আন্তর্জাতিক নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস।বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও পালিত দিবসগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম।পৃথীবিতে মায়ের চেয়ে কষ্ঠ সহ্য করার মতো আর কেউ নেই।সেই মায়ের নিরাপত্তার বিষয়টিও অত্যান্ত গুরুত্বপুর্ণ।নারীর চিরন্তন পরিচয় ‘মা’ এবং মা পৃথিবীর সবচেয়ে আপনজন ও ডাকের মধ্যে সবচেয়ে মমতা জড়ানো সুন্দর শব্দ।মাতৃস্বাস্থ্য,নিরাপদ প্রসব, পুষ্টি ও স্বাস্থ্য সেবার গুণগত মান বৃদ্ধি স¤পর্কে

ত্রিশালে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম

মেহেদী জামান লিজন (ত্রিশাল, ময়মনসিংহ): ভালুকা নিউজ ডট কম: ১৯০৯ সালে এফ.এ পাস করেন ত্রিশালের ছেলে কাজী রফিজউল্লাহ । ১৯১০ সালে চাকুরির জন্য ময়মনসিংহ সদরে যান । সাব-ইন্সপেক্টর পদের জন্য আবেদন করেন এবং চাকরি পেয়ে যান । তাঁর পোস্টিং হয় পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমানের আসানসোলে । কাজী রফিজউল্লাহ তাঁর ছোট ভাই কাজী আবুল হোসেনকে একসময় সেখানে নিজের

চেতনায় কবি নজরুল-সফিউল্লাহ আনসারী

বিদ্রোহ,প্রেম,বিরহ ও সাম্যবাদী কবি নজরুল(২৫মে,১৮৯৯—২৯আগস্ট,১৯৭৬)। যার পরিচয় তাঁর লেখাতেই স্পষ্ট।কাজী নজরুল ইসলাম আমাদের জাতীয় কবি।কাজী নজরুল আমাদের আদর্শ-চেতনার কবি।যার ক্ষুরধার লেখনিতে জাগরণ আসে।প্রেমের অমর সুধায় আপ্লুত হওয়া যায়,ধমীর্য় বিভেদ ভুলে অসাম্প্রদায়ীক হওয়া যায়।ধমীর্য় মুল্যবোধে জাগ্রত হওয়া যায়।তিনি আমাদের জাতীয় চেতনার প্রতীক এবং দারিদ্রকে স্যালুট করার সাহসিকতাকে বোধের চুড়ায় স্থাপিত করার নায়ক।নজরুলের আদর্শকে ধারন করে আমরা

বজ্রপাতে মৃত্যু:বিশেষজ্ঞরা কিছু ভাবছেন …? _ সফিউল্লাহ আনসারী

চলছে বৈশাখ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ।বৈশাখের আরেক আতংকের নাম বজ্রপাত।বৈশাখ নতুনের বার্তা নিয়ে আসে,আবার কখনো হয়ে কাল বৈশাখীর তুমুল ঝড়ে লন্ড-ভন্ড করে যায় প্রকৃতিকে। কাল বৈশাখী মানেই ঝড় আর বজ্রপাত।এই বজ্রপাত অনেকের জীবনে যমদূত হয়ে আসে ।গত(১২মে ও ১৩ মের)দেশব্যাপি কালবোশেখ ও বজ্রপাতে প্রায় ৬০ জন মানুষের জীবন প্রদীপ নিভিয়ে দিয়েছে।এমন ভয়াবহ মৃত্যু কারো কাম্য নয়,তারপরও প্রাকৃতিক

সাদা কাপড়ের মতো সুন্দর মনের মানুষ ছিলেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী অ্যাড. প্রমোদ মানকিন

এম এ মান্নান সাদা কাপড় পরার কারণে উপরে যেমন সুন্দর লাগছে আমাদের ভিতরটাও তেমন সুন্দর করতে হবে বলে গেলেন সদ্য প্রয়াত সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট প্রমোদ মানকিন। ২০১৫ সনের ১৮ জুলাই শনিবার হালুয়াঘাট কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে বক্তৃতাকালে তিনি এসব কথা বলেন। তার অন্তরে কি ছিল জানা নেই তবে বাহ্যিকভাবে একজন আধ্যাত্মিক গুরুর মত করে কথা বলতেন

মা আমার মা

আবুল বাশার শেখ জন্মের পর প্রথম বুলি মা। সবচেয়ে কাছের সবচেয়ে আপন এই মা। মা শব্দের কোন ব্যাখ্যা প্রয়োজন হয়না শুধুমাত্র মায়ের ভালবাসার দিকে তাকালে। জীবনের সবটুকু সময় সে ব্যায় করে শুধুমাত্র তার সন্তানের মঙ্গলের জন্য। নিজে না খেয়ে তুলে দেন তার আদরের সন্তানের মুখে। তাই মা পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ কাছের মানুষ। শুধু মা দিবসে মাকে

প্রতিবন্ধীরাও মানুষ,আমাদের আপনজন । সফিউল্লাহ আনসারী

একজন প্রতিবন্ধী একজন মানুষ।প্রতিবন্ধীরা আমাদের পরিবারের সদস্য,আমাদের ভাই-বোন,সমাজের মানুষ,রাষ্ট্রের নাগরিক।তাদেরকে ভিন্ন চোখে দেখার কোন যৌক্তিক কারন নাই।কিংবা তাদেরকে অবহেলার চোখে দেখারও অবকাশ নেই,কারন ওরাওতো মানুষ।প্রতিবন্ধীতা সৃষ্টি কর্তার অভিশাপতো নয় !ইচ্ছে করে কি কেউ প্রতিবন্ধি হয় ?কিংবা তাদের জীবনে এঅবস্থার জন্য কেউ দায়ী ? যদি না হয় হবে তারা কেনো অধীকার বঞ্চিত হবে ? হবে করুনার