Bhalukanews.com

কবিতা articles

কালান্তর

কালান্তর

-ফরিদা আক্তার শুনছ? এই কয়েক বছর আগের কথা বলছি তোমায় ষোড়শীকে ঘরে তুলে বানালে বধু-ঘরণী। আবহমান নারীর স্বপ্ন জালে বিভোর আমি, পুস্পায়িত বাসরে কত স্বপ্নের মধুময় রুপায়ন আর আনন্দ মাতমে তুমিও তেমন। নৈসর্গিক খেলায় মেতেছিলে আমার মাঝে কালো কেশ, কাজল কালো চোখ, দীর্ঘাঙ্গী দেহ এসবই তখন তোমার নতুন চোখে অমৃত সুধা, বুনেছ পুস্পচারা আমার উঠোনে,

দুটি বৈশাখী কবিতা – সামসুন্নাহার ফারুক

  ঝড়ের কাব্য তুমি স্বপ্নের স্বর্গবাসে ইচ্ছের স্বাধীন সর্বনাশে আবেগের অদম্য নেশায় আমাকে ভাসিয়ে নিও উৎসবের অনুরঞ্জিত পেয়ালায় ঝড়ো হাওয়ার অস্থির যৌবনে আকস্মিক প্রলয়ের দুর্বিনীত আলিঙ্গনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে সৃষ্টির সংলাপ কুহকী ইন্দ্রজালে বিকিরণ করো রুদ্রময় তেজোদীপ্ত আগ্নেয় উত্তাপ পরিযায়ী মেঘেদের উড়াল ডানায় অনুচ্চারিত শব্দাবলীর বিপুল বৈভব সম্ভাবনার রঞ্জক সমৃদ্ধ রসায়নে পবিত্রতার সবিশুদ্ধ অনুভব বিজলী ঝিলিকে

  রীনা তালুকদার -এর একগুচ্ছ বৈশাখী কবিতা

   বৈশাখের দিনে রীনা তালুকদার   কথাইতো বোশেখের ঝড় আনে প্রাণে যে সুর খেলা করে সেখানে মোহগ্রস্ত আদরমাখা পঙক্তি আমার প্রকৃতিতে এখনো চৈত্রের খর আক্রমণ নেই কেবলই বোশেখ বোশেখ ঝড়ো হাওয়ার উল্লাস   তোমার সোহাগী বাক্যের অসম বাণ শিলবর্ষণ আলো আঁধারির ঘোরে মনপ্রাণ ভালোবাসার চাদরে মোড়া চারপাশ আকাশের বিপুল বেদনার কলস উপুড় এদিকে তুমুল ভালোবাসার

ছয়’শ সাতাত্তর নম্বর বাড়িটি_রীনা তালুকদার

  এখনো বত্রিশ নম্বরের দুইতলা থেকে শোকের কালো কণারা জেগে ওঠে থমকে যায় কথারা হাঁটতে থাকে ভেসে যেতে থাকে পদ্মা মেঘনার শাখা বেয়ে বঙ্গ নদী বিধৌত সমতটে বৃক্ষের শাখা পল্লবে ছড়িয়ে যায় বাতাসে বাতাসে জলীয় বাস্পে বৃষ্টি নামে স্মৃতির নিউক্লিয়াসে বাংলা জুড়ে শোকের মিছিলে পরিণত হয় মানুষ, প্রকৃতি বিশ্বের অধিকারহীন নির্যাতিতদের সামনে এগিয়ে যাবার আলোকবর্তিকা

“স্বাধীনতা তুমি”_উত্তম কুমার পাল হিমেল

স্বাধীনতা তুমি, আয় আয় চাঁদ মামা ঘুম পাড়ানো মাসি পিসি মায়ের কল্প কথার গান, স্বাধীনতা তুমি, বুকে জড়ানো আচঁলে ঢাকা বাহুতে বাধাঁ প্রাণ। স্বাধীনতা তুমি, বাবার আদর, বোনের সোহাগ হৃদয়ের কোলাহল, “তুমি উন্নত মম শির” হৃদয়ে সাহস বুকে অটুট বল। স্বধীনতা তুমি, সোনালী প্রান্তর ,সবুজ ক্ষেত কৃষকের গোলাভরা ধান, উদাস বাউলের একতারাতে- তুমি হাসান রাজা,লালন

তরুণ কবি শরীফ মল্লিক এর একগুচ্ছ কবিতা

অসুখ-১ কোন এক ক্লান্ত দুপুরে তোমার চোখে রেখেছিলাম আমার দুটি চোখ তারপর কোনদিন আর ভালো থাকা হয়নি আমার আমার হয়েছে তবে একোন অসুখ। অসুখ-২ সম্স্ত শহর ঘুমিয়ে গেলেও আমার নির্ঘুম দুটি চোখ জেগে রয় নিশাচর পাখিদের মত দ্রুত পায়চারি করি ছাদের ওপর আঙুলের ফাকে রাখা সিগেরেট একা একা জ্বলে ছাই হয় কানে কানে কথা কয়

কবিতা

বিজয় সামসুন্নাহার ফারুক বিজয়ের হাসি শুনে ঢেউ জাগে বুকে কুমারী জোছনা ভেজে রমণীয় সুখে আঘ্রাণীর ধানশীষে নবান্ন কাহন বৈভবের উৎসবে সুখ রূপায়ণ উজানের ¯্রােতে ভেসে বিজয় নগরে ভালোবেসে কাছে টানে অবিনাশী ঘোরে বর্নমালার উচ্চারণ হৃদয় গভীরে কারুময় স্বপ্ন বোনে সৃজনী আদরে সোনালী জমিনে তার মাতাল যৌবন প্রত্যাশার বীজ বোনে স্বপ্ন অগনণ সাধের কুটির ভরা টেরকোটা

কবিতা

গোলাপের গাছে রীনা তালুকদার প্রতুষে কুয়াশায় ভরে আছে সবুজ মাঠ ব্যায়ামের ভঙ্গিতে গাছেরা আছে নুয়ে জড়াজড়ি ভালোবাসা বাসি গোলাপের বাগানে ফুটেছে সুগন্ধি গোলাপ কখন কে কাকে দিবে তুলে সেই ভাবনায় গোলাপ আর গাছে লেগেছে বিজয়ের পাঠ।

একগুচ্ছ হেমন্তের কবিতা – শেখ সামসুল হক

  হেমন্ত স্পর্শে নীল সাদা উদার অকান্ত আকাশ এই হেমন্ত স্পর্শে চোখ ছুঁয়ে যায় রাধারমণ সন্ধ্যার সামান্য আগে সূর্য ডোবার বিচিত্র রংমহল অশান্ত কথার ভেলকি বাজির তোড়ে নিউট্রন বলের নিঃসঙ্গ চাঁদ তারার মেঘকে দেখে সলাজ আড়ালে সহসা চলে যাবার ইচ্ছেটা মানানসই বলে ধরে নিতে হয় ঠিকঠাক ভাবে কাজের ফাঁকে ফাঁকে দূর নীলিমায় দৃষ্টি ছুঁড়লে বক

একগুচ্ছ হেমন্তের কবিতা-সামসুন্নাহার ফারুক

হৈমন্তী সুরের কীর্তন সামসুন্নাহার ফারুক   দমকা বাতাসে উড়ছে ঝরা পাতা উত্তরে হাওয়ারা হেসে কুটিকুটি হিমহিম সকালের হেমাঙ্গী রোদে উদ্বেলিত তারুণ্য  উত্তাল বর্ণিল ঝিলমিল অরণ্যে পাতার মিছিল স্বপ্নের কেন্দ্র থেকে উড়ন্ত ফানুস মহাকাশ কক্ষপথে ঘূর্ণিদোলায় জ্যাতিমিক আঁক জোকে শূণ্যে মেলায় ধানিরঙা হৈমন্তী হেসে হেসে বলে জানো কি অগ্নিবর্ণ বাহারী পাতারা নিসর্গের উঠোনে অনিন্দ্য প্রহরে কে