Bhalukanews.com

কবিতা articles

ফিরে যাবো

ফিরে যাবো

আবুল বাশার শেখ ফিরে যেতে চাই জন্ম পূর্ব যুগে মায়ের শুভ্র কোলের রাস্তা ভুলে প্রহরী নাবিক সেজে অথৈ জলে ফিরে যেতে চাই শূন্যে ঝুলে। হারমানা যুবকের যুক্তি পদতলে আষাঢ়ে মধুর বাণী তিক্ত লাগে ফিরে যেতে চাই রাগে অনুরাগে সংযত সংহার বিনয়ের শতভাগে। নোনাজল তিক্ততায় করি পান বেসুরে গলায় গাই তবু গান নিজের মাঝেই থাক আত্মদান

বৃষ্টিস্নাত বিকেল /ফরিদা আক্তার

আকাশ থেকে ঝরছে ফোঁটা ফোঁটা জল। জানালার পাশে দাঁড়িয়ে বৃষ্টি ছুঁয়ে দেখি। বাইরের রিমঝিম বৃষ্টি রোমান্টিক পরিবেশ করেছে সৃষ্টি বৃষ্টির ছোঁয়ায় গাছের পাতাগুলো কি অপূর্ব রূপে দুলছে। বিঝলীর ঝলকানিতে তোমার রূপ যেন আরও বেশি বেশি চমকাচ্ছে। যেন মেঘের ঘর্ষণে নয় তোমার রূপেই চমকাচ্ছে চারপাশ । সামনের বাগানের ফুলগুলো যেন বেশি সুগন্ধ ছড়াচ্ছে আজ। মন চায়

‘মায়ের আগমনে’ –উত্তম কুমার পাল হিমেল

শরতের ছোঁয়া লেগে নব কিশোলয় জাগিয়া উঠিল প্রাণ, জাগিল হৃদয়। তোমার আগমন লাগি ধরণী জুড়িয়া নব নব রংঙে আজি উঠিল সাজিয়া। ভুবনে বহিছে সুর, রাগ-অনুরাগে মুগ্ধ করিতে তোমায় মধুর সংগীতে। লহরী, ঝংঙ্কার, আর সুরের মুর্ছনা সকলি করিছে তোমার চরণ বন্দনা। প্রেমের বার্তা নিয়ে এসো মাগো তুমি পুনঃ পুনঃ এসো, অসুর দমন লাগি। সাধু জন পায়

জাতির পিতা_মোহাম্মদ অাশরাফুল অালম রতন

চোখের জলে ভাসছে স্মৃতি, মহান নেতার স্মরণে। বুক ভেঙ্গে য়ায় কষ্টে মোদের, ব্যাথার স্মৃতি বরণে। কাদঁছে হাসি,কাদছে বাশী,দুখের বৃন্দাবন। স্বপনভেঙ্গে জাগো নেতা,করবো অাবার পণ। তজর্নী কি গজর্নিতে, কন্ঠে তোমার,কামার,কুমার,কৃষক, লাঠি ধর। পথ হারিয়ে বাধভেঙ্গে যায় মহান নেতার অনুসর। ডাকেরবানে, হৃদয়টানে মুক্তিকামী জনতার। দাসত্তের ঐ পরাধিনতা, নির্বাসনের গন্ডিপার। নয়টি মাসে যুদ্ধগ্রাসে,পাকিস্হানি হানাদার। বর্বরতা হার মানলো শোষন

ক্ষ্যাপা

– আবুল বাশার শেখ   তিক্ততা ভেতর শূন্য সার হাহুতাশ সময় তবুও চলে মুন্সিয়ানার শেষ অবধি চাটুকার কর্ম করে খুব ব্যস্ততায় একটা পথ হারিয়ে যায় একটা মানুষ ভাবনায় ক্ষত করে রুদ্ধদ্বার এলেবেলে তুতলামি তবুও সময় চলে আপন ঠিকানায় পাওয়া পথ আবার হারায় পথিক নিজের সক্ষমতায় ফিরে যাওয়া হয়না বধির ইশারা করে বারবার ক্ষ্যাপা রূপ ধরে

কালান্তর

-ফরিদা আক্তার শুনছ? এই কয়েক বছর আগের কথা বলছি তোমায় ষোড়শীকে ঘরে তুলে বানালে বধু-ঘরণী। আবহমান নারীর স্বপ্ন জালে বিভোর আমি, পুস্পায়িত বাসরে কত স্বপ্নের মধুময় রুপায়ন আর আনন্দ মাতমে তুমিও তেমন। নৈসর্গিক খেলায় মেতেছিলে আমার মাঝে কালো কেশ, কাজল কালো চোখ, দীর্ঘাঙ্গী দেহ এসবই তখন তোমার নতুন চোখে অমৃত সুধা, বুনেছ পুস্পচারা আমার উঠোনে,

দুটি বৈশাখী কবিতা – সামসুন্নাহার ফারুক

  ঝড়ের কাব্য তুমি স্বপ্নের স্বর্গবাসে ইচ্ছের স্বাধীন সর্বনাশে আবেগের অদম্য নেশায় আমাকে ভাসিয়ে নিও উৎসবের অনুরঞ্জিত পেয়ালায় ঝড়ো হাওয়ার অস্থির যৌবনে আকস্মিক প্রলয়ের দুর্বিনীত আলিঙ্গনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে সৃষ্টির সংলাপ কুহকী ইন্দ্রজালে বিকিরণ করো রুদ্রময় তেজোদীপ্ত আগ্নেয় উত্তাপ পরিযায়ী মেঘেদের উড়াল ডানায় অনুচ্চারিত শব্দাবলীর বিপুল বৈভব সম্ভাবনার রঞ্জক সমৃদ্ধ রসায়নে পবিত্রতার সবিশুদ্ধ অনুভব বিজলী ঝিলিকে

  রীনা তালুকদার -এর একগুচ্ছ বৈশাখী কবিতা

   বৈশাখের দিনে রীনা তালুকদার   কথাইতো বোশেখের ঝড় আনে প্রাণে যে সুর খেলা করে সেখানে মোহগ্রস্ত আদরমাখা পঙক্তি আমার প্রকৃতিতে এখনো চৈত্রের খর আক্রমণ নেই কেবলই বোশেখ বোশেখ ঝড়ো হাওয়ার উল্লাস   তোমার সোহাগী বাক্যের অসম বাণ শিলবর্ষণ আলো আঁধারির ঘোরে মনপ্রাণ ভালোবাসার চাদরে মোড়া চারপাশ আকাশের বিপুল বেদনার কলস উপুড় এদিকে তুমুল ভালোবাসার

ছয়’শ সাতাত্তর নম্বর বাড়িটি_রীনা তালুকদার

  এখনো বত্রিশ নম্বরের দুইতলা থেকে শোকের কালো কণারা জেগে ওঠে থমকে যায় কথারা হাঁটতে থাকে ভেসে যেতে থাকে পদ্মা মেঘনার শাখা বেয়ে বঙ্গ নদী বিধৌত সমতটে বৃক্ষের শাখা পল্লবে ছড়িয়ে যায় বাতাসে বাতাসে জলীয় বাস্পে বৃষ্টি নামে স্মৃতির নিউক্লিয়াসে বাংলা জুড়ে শোকের মিছিলে পরিণত হয় মানুষ, প্রকৃতি বিশ্বের অধিকারহীন নির্যাতিতদের সামনে এগিয়ে যাবার আলোকবর্তিকা

“স্বাধীনতা তুমি”_উত্তম কুমার পাল হিমেল

স্বাধীনতা তুমি, আয় আয় চাঁদ মামা ঘুম পাড়ানো মাসি পিসি মায়ের কল্প কথার গান, স্বাধীনতা তুমি, বুকে জড়ানো আচঁলে ঢাকা বাহুতে বাধাঁ প্রাণ। স্বাধীনতা তুমি, বাবার আদর, বোনের সোহাগ হৃদয়ের কোলাহল, “তুমি উন্নত মম শির” হৃদয়ে সাহস বুকে অটুট বল। স্বধীনতা তুমি, সোনালী প্রান্তর ,সবুজ ক্ষেত কৃষকের গোলাভরা ধান, উদাস বাউলের একতারাতে- তুমি হাসান রাজা,লালন

Top