Bhalukanews.com

কবিতা articles

ছয়’শ সাতাত্তর নম্বর বাড়িটি_রীনা তালুকদার

ছয়’শ সাতাত্তর নম্বর বাড়িটি_রীনা তালুকদার

  এখনো বত্রিশ নম্বরের দুইতলা থেকে শোকের কালো কণারা জেগে ওঠে থমকে যায় কথারা হাঁটতে থাকে ভেসে যেতে থাকে পদ্মা মেঘনার শাখা বেয়ে বঙ্গ নদী বিধৌত সমতটে বৃক্ষের শাখা পল্লবে ছড়িয়ে যায় বাতাসে বাতাসে জলীয় বাস্পে বৃষ্টি নামে স্মৃতির নিউক্লিয়াসে বাংলা জুড়ে শোকের মিছিলে পরিণত হয় মানুষ, প্রকৃতি বিশ্বের অধিকারহীন নির্যাতিতদের সামনে এগিয়ে যাবার আলোকবর্তিকা

“স্বাধীনতা তুমি”_উত্তম কুমার পাল হিমেল

স্বাধীনতা তুমি, আয় আয় চাঁদ মামা ঘুম পাড়ানো মাসি পিসি মায়ের কল্প কথার গান, স্বাধীনতা তুমি, বুকে জড়ানো আচঁলে ঢাকা বাহুতে বাধাঁ প্রাণ। স্বাধীনতা তুমি, বাবার আদর, বোনের সোহাগ হৃদয়ের কোলাহল, “তুমি উন্নত মম শির” হৃদয়ে সাহস বুকে অটুট বল। স্বধীনতা তুমি, সোনালী প্রান্তর ,সবুজ ক্ষেত কৃষকের গোলাভরা ধান, উদাস বাউলের একতারাতে- তুমি হাসান রাজা,লালন

তরুণ কবি শরীফ মল্লিক এর একগুচ্ছ কবিতা

অসুখ-১ কোন এক ক্লান্ত দুপুরে তোমার চোখে রেখেছিলাম আমার দুটি চোখ তারপর কোনদিন আর ভালো থাকা হয়নি আমার আমার হয়েছে তবে একোন অসুখ। অসুখ-২ সম্স্ত শহর ঘুমিয়ে গেলেও আমার নির্ঘুম দুটি চোখ জেগে রয় নিশাচর পাখিদের মত দ্রুত পায়চারি করি ছাদের ওপর আঙুলের ফাকে রাখা সিগেরেট একা একা জ্বলে ছাই হয় কানে কানে কথা কয়

কবিতা

বিজয় সামসুন্নাহার ফারুক বিজয়ের হাসি শুনে ঢেউ জাগে বুকে কুমারী জোছনা ভেজে রমণীয় সুখে আঘ্রাণীর ধানশীষে নবান্ন কাহন বৈভবের উৎসবে সুখ রূপায়ণ উজানের ¯্রােতে ভেসে বিজয় নগরে ভালোবেসে কাছে টানে অবিনাশী ঘোরে বর্নমালার উচ্চারণ হৃদয় গভীরে কারুময় স্বপ্ন বোনে সৃজনী আদরে সোনালী জমিনে তার মাতাল যৌবন প্রত্যাশার বীজ বোনে স্বপ্ন অগনণ সাধের কুটির ভরা টেরকোটা

কবিতা

গোলাপের গাছে রীনা তালুকদার প্রতুষে কুয়াশায় ভরে আছে সবুজ মাঠ ব্যায়ামের ভঙ্গিতে গাছেরা আছে নুয়ে জড়াজড়ি ভালোবাসা বাসি গোলাপের বাগানে ফুটেছে সুগন্ধি গোলাপ কখন কে কাকে দিবে তুলে সেই ভাবনায় গোলাপ আর গাছে লেগেছে বিজয়ের পাঠ।

একগুচ্ছ হেমন্তের কবিতা – শেখ সামসুল হক

  হেমন্ত স্পর্শে নীল সাদা উদার অকান্ত আকাশ এই হেমন্ত স্পর্শে চোখ ছুঁয়ে যায় রাধারমণ সন্ধ্যার সামান্য আগে সূর্য ডোবার বিচিত্র রংমহল অশান্ত কথার ভেলকি বাজির তোড়ে নিউট্রন বলের নিঃসঙ্গ চাঁদ তারার মেঘকে দেখে সলাজ আড়ালে সহসা চলে যাবার ইচ্ছেটা মানানসই বলে ধরে নিতে হয় ঠিকঠাক ভাবে কাজের ফাঁকে ফাঁকে দূর নীলিমায় দৃষ্টি ছুঁড়লে বক

একগুচ্ছ হেমন্তের কবিতা-সামসুন্নাহার ফারুক

হৈমন্তী সুরের কীর্তন সামসুন্নাহার ফারুক   দমকা বাতাসে উড়ছে ঝরা পাতা উত্তরে হাওয়ারা হেসে কুটিকুটি হিমহিম সকালের হেমাঙ্গী রোদে উদ্বেলিত তারুণ্য  উত্তাল বর্ণিল ঝিলমিল অরণ্যে পাতার মিছিল স্বপ্নের কেন্দ্র থেকে উড়ন্ত ফানুস মহাকাশ কক্ষপথে ঘূর্ণিদোলায় জ্যাতিমিক আঁক জোকে শূণ্যে মেলায় ধানিরঙা হৈমন্তী হেসে হেসে বলে জানো কি অগ্নিবর্ণ বাহারী পাতারা নিসর্গের উঠোনে অনিন্দ্য প্রহরে কে

“স্বাধীনতা তুমি” _উত্তম কুমার পাল হিমেল

  স্বাধীনতা তুমি, আয় আয় চাঁদ মামা ঘুম পাড়ানো মাসি পিসি মায়ের কল্প কথার গান, স্বাধীনতা তুমি, বুকে জড়ানো আচঁলে ঢাকা বাহুতে বাধাঁ প্রাণ। স্বাধীনতা তুমি, বাবার আদর, বোনের সোহাগ হৃদয়ের কোলাহল, “তুমি উন্নত মম শির” হৃদয়ে সাহস বুকে অটুট বল। স্বধীনতা তুমি, সোনালী প্রান্তর ,সবুজ তে কৃষকের গোলাভরা ধান, উদাস বাউলের একতারাতে- তুমি হাসান

একটি নক্ষত্রের মৃত্যু – মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম শফিক

  মহাকাশ ছেঁদিয়া পৃথিবীর আঁধার ভেদিয়া এই বাংলায় জ্বলে উঠেছিল এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। তোমার আলোক রশ্মি বাংলার আনাচে-কানাচে বাঙালীর হৃদয় থেকে হৃদয়ে হয়েছিল ছত্র। তুমি ছিলে বাঙালীর বন্ধু, বঙ্গবন্ধু সকলের যে নক্ষত্রের জম্ম না হলে জম্ম হতো না বাংলার ভূগোলের। তেজোদীপ্ত উজ্জ্বল নক্ষত্র অধিকারী ছিলে বজ্র কন্ঠের। তোমার প্রতিক্ষণ হৃদয়ে ছিল বাংলার জনগণ। মৃত্যুভয় তুমি

অন্নদাতা খুশি থাক

আবুল বাশার শেখ =================== নিরাশার আনন্দ বিদায় ক্লান্তপথের পথিক ভালো থেকো; পারিজাত শুভ্রতায়- যাতনার কালো রঙ ঘন নীল। পয়সাওয়ালার নিশি রাত নিশ্চুপ ডাহুকের বেদনায় দেয় ডুব স্বপ্নের ডুবরীরা নিঃস্ফল সাঁতরায় এলো মেলো ভাবনা দূরে হারায়। পথচেয়ে বসে থাকা রমনীর চোখ ক্লান্ত এলিয়ে দেয় নিজেকে তবুও সাধ মিটেনা। সব ব্যার্থতার জল বরফগলা নদীর সাথে সখ্যতা গড়ে