Bhalukanews.com

কবিতা articles

ক্ষনিক জীবন

ক্ষনিক জীবন

আবুল বাশার শেখ মিষ্টি রোদের সকাল বেলা মন মানুষে করছে খেলা পাখির ডানায় কাব্য-কলা সুখের বেলায় মিথ্যে বলা। একলা পথিক স্বপ্ন ছাড়া পথের মায়ায় দিচ্ছে তাড়া চলছে মনের আপন ধারায় আশে পাশে কেউ না দাড়ায়। হায়রে জীবন খোঁজলিনা সুর মনের মানুষ রইলো যে দূর চিনলিনা মন চিনলিনা ধন চোখের দেখায় ক্ষনিক জীবন। ১১ জানুয়ারী, বুধবার।

আকাশে ওড়ার স্বপ্ন ছিল যে মেয়েটার –প্রদীপ বালা

আকাশ দেখার স্বপ্ন ছিল মেয়েটার ছোট থেকেই আকাশে পাখি হয়ে ওড়ার সাধ ছিল তার মফঃস্বল থেকে শহরে এলো যেদিন জীবনে প্রথমবার কলেজ ক্যাম্পাসের সোনালী রোদ গায়ে এসে পড়েছিল সে বুঝতে পারল আকাশের অনেক কাছাকাছি আছে কলেজ ক্যান্টিনে একটা ঝাঁকড়া চুলের ছেলে একদিন এসে বলল, হাই! সেই থেকে আলাপ। তারও নাকি স্বপ্ন আকাশ হওয়ার মুখে রবীন্দ্রনাথ,

মেঘ বালিকা বৃষ্টি হবি-শ্যামল সোম

এই মেয়ে তুই বৃষ্টি হবি বৃষ্টির শ্রাবণের ধারা হয়ে অঝরে পড়বি ঝরে আমার বুকের পড়ে। বৃষ্টি তোর ধারায় ভিজছি দেশের তুই এখন; অঝরে শরীর বেয়ে কুল কুল করে বহে যাচ্ছে সুখ, স্বাদ গলে গলে পড়ছে আশ, বাসনা হৃদয়ের বাসনা। গহীন গোপন যত জমানো অবিশ্রান্ত বেদনা নীল পদ্ম ফুটছে ঐ দীঘি জলে, বৃষ্টি তোকে জড়িয়ে দু

পরাজয়-জসীম উদ্দীন মুহম্মদ

সময়ের কাছে এক তিলক সময় ধার চেয়েছিলাম সে দেয়নি, দিতে পারেনি; তাঁর অভিধানে ধার-দেনা জাতীয় কোনো শব্দ নেই! অতঃপর সমুদ্রের কাছে গিয়েছিলাম বলেছিলাম, আমাকে কিছুটা গভীরতা দাও রাখ-ঢাক ছাড়াই সেও আমাকে সাফ সাফ জানিয়ে দিলো, “আমার কোনো গভীরতা নেই”! তারপর জটাধারী পথে ফেরার আমি তটিনীকে বললাম—, আমাকে কিছুটা বহতা দাও বিকট আর্তচিৎকারে আকাশ-বাতাস কাঁপিয়ে সে

এই তো জীবন

আবুল বাশার শেখ একটা রাত, সামান্য সময় তবুও দীর্ঘতার সীমায় প্রশ্নবিদ্ধ, বেহায়া চোখের পলক নির্ঘুূম মাঝে মাঝে পায়চারি, হিসেবের খাতা খোলা কাগজ কলমের হিসেব নয়- জীবনের হিসেব; ভাবনাতেই কেটে যায় রাত। জীবন তো জীবনই থামবার অবকাশ কোথা, সময়ের ব্যবধানে কোন এক দিন থেমে যায়, থেমে যাবে এই তো জীবন। ০৮ অক্টোবর।

হাসি

==== মির্জা মুহাম্মদ নূরুন্নবী নূর হাসি– তোমাকে আমি অনেক ভালোবাসি। তাই– সারাটি জীবন তোমারই দেখা চাই। ফুল– তুমি ভেঙে দিয়েছ আমার শত ভুল। তাই– তোমার মত আমরা উদার হতে চাই। পাখি– আমি তোমায় আপনার করে ডাকি। তাই– তোমার সাথী হয়ে বনে ঘুরতে চাই। ফল– তোমায় খেয়ে বাড়ে শক্তি-সাহস বল। তাই– তোমাকে ফরমালিনমুক্ত সতেজ চাই। নদী–

সাঈদ সাইদুল এর কবিতা

,আকাশ বিক্রি হচ্ছে সস্তায়, জলের দামে বিক্রি হচ্ছে সমুদ্র। অথচ অামি কিনতে পারছিনা। . পৌরুষ বিক্রি হচ্ছে হারবাল শপে, ছাপাখানায় শতশত কবিতা। অথচ অামি লিখতে পারছিনা। . সন্ধ্যা হলেই গোলাপের মত চুমুগুলো কিনে নিচ্ছে অাবাসিকের ভদ্দরলোক। একেবারে নেহায়েত কমদামে বিক্রি হচ্ছে মিছিলের সবগুলো হাত। ইথারে ইথারে বিক্রি হচ্ছে মুঠোমুঠো শৈশব, কৈশরের মক্তব পালানো দিন। আমি

বোধের অক্ষরায়ণ — মাসুক আহমেদ

ঠিক এভাবেই যেন একইসাথে আমি জীবিত ও মৃত — ঘুমন্ত ও জাগ্রত । একই সাথে উত্থান ও পতন আমার । একই পথে সম্মুখযাত্রা আবার পশ্চাৎপদতা । আমি ভাসি,ডুবি একই সময়েই । আমি একই সাথে লুকায়িত আবার প্রকাশ্যমান । ঠিক এভাবেই আমি যতই মৃত্তিকাভেদ করি  ততই উড্ডয়ন করি আকাশের দিকে । একই প্রহরেই দেহযুক্ত আবার অশরীরী

ওপারের সঙ্গী

আবুল বাশার শেখ ক্ষমতা তোমার হাতের মুঠোয় ভাবছো অনেক কিছু, তাই বলে জেনো মৃত্যু তোমার ছাড়বেনা কভু পিছু। ঠিক সময়ে হাজির হবে বাধবে হাতে-পায়ে, এতটুকু ক্ষমতা হবে না ঘুরবে ডানে-বায়ে। কিসের বড়াই কর তুমি কিইবা তোমার আছে, যেতে হবে একদিন ওরে ক্ষমতাশালীর কাছে। ইহ জনমের হিসেব নিকাশ দিতে হবে ঠিক ঠিক, পালানোর কোন রাস্তা পাবেনা

আবুল কালাম আযাদ এর দুটি কবিতা

১।। সত্য ন্যায়ের দল সত্য ন্যায়ের তুলরে তুফান অত্যাচরীর বাধে। সাবধানে করবি রণ, পরিসনা তার ফাঁদে। সত্য ন্যায়ের প্রতীক তোরা, সত্য ন্যায়ের দল। রণ করবি, রণ করবি, চলরে তোরা চল। অত্যাচারীর শক্তি দেখে করিসনা ত ভয়। সাহস নিয়ে করবি রণ, তবেই হবে জয়। হউকনা যতই শক্তিশালী অত্যাচারীর দল। রণ করবি, রণ করবি, চলরে তোরা চল।