Bhalukanews.com

কবিতা articles

বাংলা কথা:- আবুল বাশার শেখ

বাংলা কথা:- আবুল বাশার শেখ

একটি দেশের দু’টি ভাষা একটি তার বঞ্চিত, ক্ষমতাসীন শাসক গোষ্ঠী একটিতে ছিল প্রীত। অফিস কিংবা আদালতে একটি ভাষা চলতো, বাহিরে থাকা মানুষগুলো অন্য ভাষা বলতো। মা শেখাতেন একটি ভাষা কাব্য, গান আর গল্পে, মুখের ভাষায় বাঙালীরা সন্তোষ ছিলেন অল্পে। তবুও হানাদার রুক্ষ বাংলা ভাষার প্রতি, ষড়যন্ত্র করলো তারা করতে ভাষার ক্ষতি। বায়ান্নর একুশ তারিখ বাংলা

বাংলা ভাষা ও একুশে বইমেলা

আলহাজ্ব মোহাম্মদ আবদুর রশিদ নির্বাহী পরিচালক, আসপাডা পরিবেশ উন্নয়ন ফাউন্ডেশন, ভালুকা, ময়মনসিংহ। খোকা মাকে বলে- ‘মা পশ্চিম পাকিস্তানীরা চায়, তোমার মুখের ভাষা কাইড়া নিতে আমরা কি পারিনা মা, ওদের থামিয়ে দিয়ে, তোমার মুখের ভাষা ঠিক রাখতে? তোমার মুখ বন্ধ কইড়া দিব, তোমারে প্রাণ খোলে কথা বলতে দিবোনা? এর জন্য আমরা রক্ত দিব, তবু তোমার মুখের

ইংরেজী নববর্ষ-২০১৬ –

  মুছে যতো হতাসা;যাও এগিয়ে   দুর্বার–দুরন্ত গতিতে সমৃদ্ধ আগামীর পথে।   উত্তরণ হোক আজ স্বাধীনতার চেতনায়; ক্ষুধামুক্ত   পৃথীবির। মানবতার মুক্তি আর অন্ন বস্ত্র–নিরাপদ বাসস্থানের ।   সংঘাতহীন অহিংস পৃথিবীর যেনো স্বস্থির হয়; মানবাধীকার প্রতিষ্ঠায়।   শুভ হোক আজ ও আগামীর প্রতিটা ভোর। শান্তিতে অবিরাম   সুখের পায়রা উড়–ন এ প্রান্ত–ও প্রান্তে মানুষের ঘরে–ঘরে

রক্তপিপাষু মানব

(পুলিশ ভাইদের জন্য) এস,আর,শামিম কোথায় আছে মানবাধিকার কোথায় সুশীল সমাজ বড় বড় ঐ লেকছার ছেড়ে দেখান এবার কাজ। কি দোষ মোদের কেন বারে বারে এই পরিস্থিতির শিকার? জবাব চাই আজ সুশীল সমাজ নইলে দিব ধিক্কার। কি দোষ ছিল কোথায় মোদের কি করেছি বল? কেন আমার প্রিয়জনরা ফেলে বারে বারে চোখের জল? আমাদের মত হতভাগাদের উপর

কাঁচ হিরা

 ———- কামরুল হাসান চাইলেই সব পাওয়া না, পাইলেও সব নেওয়া যায় না। দুর থেকে চমকায় যে হিরা হাতে নিয়ে দেখি তা কাঁচ, অার যাকে হিরা ভেবে হৃদয়ে রাখি একদিন ঘুম ভেঙ্গে দেখি এও কাজ।

নাখোশ চন্দ্রগ্রহণ

:::::::::দালান জাহান তোমার অজগর মুখে সমুদ্র হারিয়ে যায় অনিমেষে মানুষেরা সেথায় ভাগ্য হত পিপড়াদের ভূরিভোজ কঙ্কাল নিয়ে চলে তোমার নিদারুণ নিষ্ঠুর উত্সব লোভের হিমাচলে তুমি সন্তানের মাথা খেয়ে যাও হেসে হেসে তোমার আকাশে বাতাসে সীসা উড়ে ব্যাভিচারের ব্যাধি গ্রাস করে জলের রুপোর শরীর তোমার মুখে ধুলো পড়ে অরব মানুষের মৌন চিত্কারে তবু ও তোমার মন

বিজয়িনী রাজকন্যা

::::::::::::দালান জাহান তোমার জন্য যুদ্ধে যাবো ফুটন্ত অগ্নি-জ্বলে বগবগে স্রোতে ভাসাবো নর-কঙ্কাল ঈশানে-বিষানে ছুটাব আমার উদ্ভ্রান্ত ক্ষেপা-ঘোড়া বিকারগ্রস্ত এই নীলের যমুনায় সস্তায় উপচে পড়া অলিকুলে নরম অথচ মিষ্টি অথচ সুন্দর সুকোমল অশ্রুসজল চোখে নির্বাক তাকিয়ে থাকে বিজয়িনী । অসভ্য সভ্যতার সাক্ষী হয়ে মেতে উঠেছে কামাতুর যৌন-মিছিল অযাচিত হোটেল মোটেল মুটেরা যৌনতার জলে ভেসে গেছে সন্ধ্যামালতীর

ভৈরব-একটি নদীর নাম

——–মুরাদ দাস্তগীর হে ভৈরব, তোকে বড্ড মনে পড়ে যেন তুই উর্বশী, আমার কবিতার পঙক্তি- উদাস দুপুরে ঝরোকা দিয়ে দেখতাম- তোর বুকে দুষ্টু ঢেউ খেলা করে উতল হাওয়ার সাথে আর ওদের দুষ্টামিগুলি আছড়ে পড়ে পূর্ব চরায় আলতো করে। তোর পাশে ঠিক জরঠ গাব গাছটার নীচে জৈষ্ঠের সবক’টি দুপুর পার করেছি এবং দেখেছি- বজরার পালে বাওড়া বাতাসের

নয়ন জুরে জল আসে

———— আবুল কালাম আযাদ নয়ন জুরে জল আসে, আর নয়ন জলে বুক ভাসে। আমার মন কাঁদে, প্রাণ কাঁদে, বুক ভাঙ্গা দীর্ঘ্যশ্বাষে। নয়ন জুরে জল আসে, আর নয়ন জলে বুক ভাসে। আজকে আমার বুক ভাঙ্গা ঝড়, বুকের ভিতর যে ছিল আজ সে সে হল পর। আমায় ছেড়ে, অনেক দূরে, লুকিয়ে গেল কোন আধারে। তবুও আমার নয়ন