Bhalukanews.com

কবিতা articles

বিজয়িনী রাজকন্যা

বিজয়িনী রাজকন্যা

::::::::::::দালান জাহান তোমার জন্য যুদ্ধে যাবো ফুটন্ত অগ্নি-জ্বলে বগবগে স্রোতে ভাসাবো নর-কঙ্কাল ঈশানে-বিষানে ছুটাব আমার উদ্ভ্রান্ত ক্ষেপা-ঘোড়া বিকারগ্রস্ত এই নীলের যমুনায় সস্তায় উপচে পড়া অলিকুলে নরম অথচ মিষ্টি অথচ সুন্দর সুকোমল অশ্রুসজল চোখে নির্বাক তাকিয়ে থাকে বিজয়িনী । অসভ্য সভ্যতার সাক্ষী হয়ে মেতে উঠেছে কামাতুর যৌন-মিছিল অযাচিত হোটেল মোটেল মুটেরা যৌনতার জলে ভেসে গেছে সন্ধ্যামালতীর

ভৈরব-একটি নদীর নাম

——–মুরাদ দাস্তগীর হে ভৈরব, তোকে বড্ড মনে পড়ে যেন তুই উর্বশী, আমার কবিতার পঙক্তি- উদাস দুপুরে ঝরোকা দিয়ে দেখতাম- তোর বুকে দুষ্টু ঢেউ খেলা করে উতল হাওয়ার সাথে আর ওদের দুষ্টামিগুলি আছড়ে পড়ে পূর্ব চরায় আলতো করে। তোর পাশে ঠিক জরঠ গাব গাছটার নীচে জৈষ্ঠের সবক’টি দুপুর পার করেছি এবং দেখেছি- বজরার পালে বাওড়া বাতাসের

নয়ন জুরে জল আসে

———— আবুল কালাম আযাদ নয়ন জুরে জল আসে, আর নয়ন জলে বুক ভাসে। আমার মন কাঁদে, প্রাণ কাঁদে, বুক ভাঙ্গা দীর্ঘ্যশ্বাষে। নয়ন জুরে জল আসে, আর নয়ন জলে বুক ভাসে। আজকে আমার বুক ভাঙ্গা ঝড়, বুকের ভিতর যে ছিল আজ সে সে হল পর। আমায় ছেড়ে, অনেক দূরে, লুকিয়ে গেল কোন আধারে। তবুও আমার নয়ন

আমার ঠিকানা

—– মুরাদ দাস্তগীর যেখানে বটের ছায়ায় বসে বৈশাখী মেলা, যেখানে রাখাল বাজায় বাঁশি ক্লান্ত দুপুর বেলা, যেখানে দোয়েল মিঠে রোদে বসে করে খেলা, যেখানে শরতের আঁকাশে ভেসে চলে মেঘের ভেলা, যেখানে তালের পাতায় দোলে বাবুই পাখির বাসা, বন্ধু, সেখানেই জিইয়ে রেখেছি আমার ভালবাসা। যেখানে বউলে নোয়া সারি বাঁধা আম্র বাগান, যেখানে হেমন্তের রোদে ভাসে সোনালী

বেকারত্ব প্রেম

আবুল বাশার শেখ কলেজের ক্যাম্পাসে- প্রথম যে দিন, তোমার হাত ধরেছিলাম তুমি বলেছিলে- অসভ্য! যখন বলেছিলাম- ভালবাসি তখন বলেছিলে- ইডিয়েট। এক দুই তিন করে সপ্তাহ পেরুলো। একদিন- কৃষ্ণচূড়া গাছের ছাঁয়ায় একাকী বসেছিলাম উদাসী কবির যেন ছন্দ খোঁজা, গুন গুন করে গান; অতঃপর পকেটের কলম সোচ্চার। ঘামে সিক্ত মিষ্টি মুখ ঠোঁটের লাল লিপিষ্টিকের আল্পনায় কপোতির গুনগুনানী,

শেকড়ের গভীরতা

প্রাণ খোঁজে আজ শেকড়ের গভীরতা সন্ধানী মন জলের ঢেউয়ে থাকে মাতোয়ারা নানান ছলে-ছলে সময় গ্রাস করে বিশ্বাস সন্ধ্যে ঘনিয়ে আসে দ্রুত;চাঁদের আলোয় প্রতিদিন থাকেনা প্লাবন দ্বীর্ঘ স্নানের পর আরকি থাকে বল জলের উৎসব ? বিজ্ঞাপনে মানে থাকে কবিতার মতো!আমি আজ বিজ্ঞাপণ নির্মতা বলে তুমি ছেড়ে যাও কোন বাহানায ?

আমার হৃদয় রাজ্যে

সফিউল্লাহ আনসারী তুমি মনি-মানিক্য আমার হৃদয় রাজ্যে রাজা আমি প্র্রেমিক মাতাল;অরুন-তরুন বন্য তোমায় চাওয়া ছাড়া নাই আমার কাজযে তোমাতেই স্থির হবো; ভাবছি তাতেই ধন্য! এলো চুলের বড়াই করোনা আমার আবেগ স্রোতে প্রতিক্ষার করোনা লড়াই ধরে জানলার গ্রীলে রাণী তুমি আমার রাজ্য জোতে সাজাবো সংসার প্রেমিক যুগল মিলে ।

কে যেন হারায় আমার আঙিনা হতে

কামরুল এহসান চন্দন বিষন্ন আমি, ভীষন একা বিকেল টাও রঙহীন , মেঘেরাও যেন ঢাকা পড়েছে আরো কালো আধারে, মৃদু সমিরন মনকে দোলা দিলেও জানিনা কেন নিরব এই আমি আনমনে, মন কি যেন খুজে বারংবার, অথচ দিচ্ছে হাতছানি রাতের আঁধারে, নিঃসঙ্গ করতে আমায়। কি যেন লোকায়, কে যেন হারায় আমার আঙিনা হতে ।

ঢের ভালবাসি

আবুল বাশার শেখ রক্ত চাহনীর আল্পনায় যত্নশীল প্রিয়া, তাজা ফুলের মিশ্রিত গন্ধ দূর্গন্ধ ছড়ায়- ধরিত হাতের মুঠে ফুলের বদলে কাঁটা তবুও ভালবাসার কমতি হয়না। বুকের ক্যানভাসে শোভিত ভালবাসা বার বার কাছে টানে, সাহসের ভীরে ভয় লাগে তবুও এগিয়ে যাই, রাতের তারায় স্বপ্ন হারায় জাগ্রত থাকি ঢের ভালবাসি সোনার ময়না পাখি।

মোহাম্মদ আবদুর রশিদের দু’টি কবিতা

সৃষ্টিকর্তার দান   আমি সবচেয়ে বেশী ভয় পাই তাকে যে স্রষ্টাকে ভয় পায় না, সে স্রষ্টায় বিশ্বাস করেনা, সে কখনও সত্যিকারের বন্ধুও হতে পারেনা। এ রকম বন্ধু যদি কখনও কারো ভাগ্যে জুটে, সে হবে হতভাগা, জীবন চলার পথ পঙ্কিল হবে, সহায় কিছু থাকবেনা, হবে সে দূর্ভাগা। যে মানুষ সৃষ্টির বিস্ময়কর উদাহরনগুলি ভুলে যায়, সে মুক্তি

Top