জাতীয়
পোপকে স্বাগত জানাতে চলছে প্রস্তুতি

ঢাকা : ক্যাথলিক ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিস বাংলাদেশে আসছেন বৃহস্পতিবার। এ উপলক্ষ্যে রাজধানীর বিভিন্ন গির্জায় লেগেছে নতুন রঙ। চলছে শেষ মুহূর্তের সাজসজ্জা। পোপকে স্বাগত জানানোর অপেক্ষায় ভক্ত-অনুসারীরা।
ঢাকার তেজগাঁওয়ের এই গির্জা তৈরি হয় ১৬৭৭ খ্রিস্টাব্দে। এশিয়ার অন্যতম প্রাচীন এই গির্জায় রঙের ছোঁয়া লেগেছে বেশ কয়েক বছর পর। উপলক্ষ্য পোপ ফ্রান্সিস আসছেন। পাশেই নতুন গির্জার বাইরে ও ভেতরে চলছে সাজসজ্জা ও পরিচ্ছন্নতার কাজ। রঙ লেগেছে মাদার তেরেসা ভবনের দেয়ালেও।
রাজধানীর কাকরাইল মোড়ের রমনা ক্যাথিড্রাল ও আর্চ বিশপ হাউসের চেহারাও বদলে গেছে। শুক্রবার এখানেই নাগরিক সমাবেশসহ তিনটি অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন পোপ ফ্রান্সিস। উপস্থিত থাকবেন বিভিন্ন ধর্মের নেতাসহ সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।
পোপকে স্বাগত জানাতে ক্যাথিড্রালের পুরনো গেইটে তৈরি হয়েছে এই তোরণ। ভেতরে উন্মোচনের অপেক্ষায় পোপ ফ্রান্সিসসহ এর আগে বাংলাদেশ সফরে আসা আরো দুই পোপের প্রতিকৃতি ও নতুন একটি ভবন। ক্যাথিড্রালের ভেতরে শোভা পাচ্ছে লাল গালিচা। চলছে আলোকসজ্জা, মঞ্চ তৈরি ও সিসিটিভি ক্যামেরা বসানোর শেষ মুহূর্তের কাজ। বাগানে বসছে ফুলের গাছ, পথ রঙিন হয়েছে আল্পনায়।
এই ভবনে থাকছে পোপের জন্য বিশ্রাম কক্ষ। ভ্যাটিকানে পোপের বিশেষ বাহন ‘পাপা মোবিলে’র আদলে তৈরি বাহনটি ঢেকে রাখা ভবনের সামনেই। এতে চড়ে সবাইকে শুভেচ্ছা জানাবেন পোপ। এছাড়া বিশেষভাবে তৈরি হয়েছে একটি গলফ কার্ট ও দেশের ঐতিহ্যবাহী রিকশা।
সোহওরার্দী উদ্যানের এই মঞ্চে দাঁড়িয়েই উপাসনা ও যাজক অভিষেক অনুষ্ঠান পরিচালনা করবেন পোপ ফ্রান্সিস। সফরের শেষ দিনে নটরডেম কলেজে যাবেন পোপ। বক্তব্য দেবেন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া ১০ হাজার শিক্ষার্থীর উদ্দেশে।
পোপ ফ্রান্সিসের বাংলাদেশ সফর স্মরণীয় করতে তৈরি হয়েছে থিম সং ও তাঁর জীবন-কর্ম নিয়ে তথ্যচিত্র। বাংলাদেশের কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য তাঁর সামনে তুলে ধরতে চলছে সাংস্কৃতিক আয়োজনের মহড়া।